স্টাফ রিপোর্টার: মাত্র দেড় ঘণ্টা ৷ আর হাতে সামান্য সরঞ্জাম তাতেই বিস্ফোরক তৈরি করে ফেললো দুই বাংলাদেশি জঙ্গি! কিভাবে বোমা নিষ্ক্রিয় করতে হয়, তাও দেখাল তারা৷ স্বভাবতই চক্ষু চড়ক গাছ এনআইএ গোয়েন্দাদের৷ দেশের বিভিন্ন প্রান্তে ওই দুই জঙ্গি যে ২৬জনকে বিস্ফোরক তৈরির প্রশিক্ষণ দিয়েছে তাদের সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য ইতিমধ্যেই সংগ্রহ করেছেন গোয়েন্দারা৷

লালবাজার সূত্রের খবর, এনআইএ-র প্রতিনিধিদের কাছে সামসাদ ও রিয়াজুল স্বীকার করেছে যে তারা ভারতের বিভিন্ন প্রান্তে ২৬ জনকে হাতে কলমে বিস্ফোরক তৈরি শিখিয়েছে৷ এরপরই ধৃত দুই জঙ্গি গোয়েন্দাদের কাছে বিস্ফোরক তৈরির জন্য সামান্য সরঞ্জাম চেয়ে নেন৷

এক গোয়েন্দা কর্তার কথায়, ‘‘মাত্র দেড় ঘণ্টার মধ্যে ওই সরঞ্জাম নিয়ে বিস্ফোরক তৈরি করে ফেললো দুই জঙ্গি৷ ভাবা যায়! এমনকি কিভাবে বিস্ফোরক নিষ্ক্রিয় করতে হয়, তাও দেখাল ওরা৷’

পড়ুন- জঙ্গিদের অস্ত্র বিক্রেতা বাংলার মনোতোষ জামাতের জিয়াউল

মঙ্গলবার দুপুরে কলকাতা স্টেশন থেকে ধরা পড়ে আল কায়দার সহযোগী জঙ্গি সংগঠন আনসারুল্লা বাংলা টিমের দুই জঙ্গি ও এক অস্ত্র সরবরাহকারী৷ ধৃত বাংলাদেশি জঙ্গি সামসাদ ও রিয়াজুল দীর্ঘদিন হায়দরাবাদে ছিল৷ তারা এদেশে একাধিক নামে পরিচয়পত্র তৈরি করে। ভোটার কার্ডগুলি কোথা থেকে তৈরি করেছিল, তাও খতিয়ে দেখছেন গোয়েন্দারা৷ স্বভাবতই তাদের কাছ থেকে তথ্য পেতে বুধবারই কলকাতায় আসে হায়দরাবাদ পুলিশ৷ তারা ধৃতদের মধ্যে বাংলাদেশি দুই জঙ্গিকে রাতভর জেরা করেন৷

গোয়েন্দা সূত্রে খবর, বাংলাদেশি জঙ্গি কার্যকলাপ সম্পর্কে তথ্য পেতে বৃহস্পতিবার ভোরে কলকাতায় পৌঁছায় জাতীয় তদন্তকারী সংস্থার বিশেষ দল৷ প্রায় চার ঘণ্টা জেরা করেন গোয়েন্দারা৷ ’ স্বভাবতই সামসাদ ও রিয়াজুলকে জেরা করে গোয়েন্দারা তাদের বিস্ফোরক ‘শিক্ষা গুরু’র তথ্য পেতে চাইছেন৷

আরও পড়ুন- ধৃত জঙ্গি মনোতোষের স্ত্রী আয়ার কাজ করেন ইছাপুরে

বছর দুয়েক আগে বসিরহাট সীমান্ত দিয়ে ভারতের মাটিতে পা রাখার পর ধৃত দুই জঙ্গি প্রথমে গিয়েছিল হায়দরাবাদে৷ সেখানে কম্পিউটার হার্ডওয়্যারের প্রশিক্ষণও নেয় সামসাদ৷ সেখান থেকে পুণে, দিল্লি হয়ে ফের হায়দরাবাদ৷

এর আগে বুধবার রাতভর লালবাজারে সামসাদ মিঞা ও রিয়াজুল ইসলামকে দফায় দফায় জেরা করেন হায়দরাবাদের পুলিশের দুঁদে গোয়েন্দারা৷ জেরা পর্বে তাদের সঙ্গে ছিলেন লালবাজারের গোয়েন্দারাও৷ সমগ্র জেরা পর্ব ভিডিও রেকর্ডিংও করেন গোয়েন্দারা৷ সোর্স মারফৎ গোয়েন্দার জানতে পেরেছেন, শুধু ওই দু’জনই নয় আনসারুল্লা বাংলা টিমের আরও একাধিক সদস্য ভারতে ঢুকেছে৷ সন্দেহ নেই, বাংলাদেশের মতো এদেশেও মুক্তমনা খুনের পর্ব চালু করতে চাইছে তারা৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

জীবে প্রেম কি আদৌ থাকছে? কথা বলবেন বন্যপ্রাণ বিশেষজ্ঞ অর্ক সরকার I।