স্টাফ রিপোর্টার, কোচবিহার: মুর্শিদাবাদ থেকে জঙ্গিযোগ সন্দেহে ৬ জনের গ্রেফতারি নিয়ে চাঞ্চল্যকর মন্তব্য করলেন বিজেপির সাধারণ সম্পাদক সায়ন্তন বসু।

তাঁর দাবি, নবান্নকে তল্লাশির কথা জানালে জঙ্গিরা পালিয়ে যেত। শনিবার ভোরবেলায় মুর্শিদাবাদের বিভিন্ন জায়গায় তল্লাশি চালিয়ে আল কায়দা জঙ্গি সন্দেহে ৬ জন যুবককে গ্রেফতার করেছে জাতীয় তদন্ত এজেন্সি তথা এনআইএ।

একই ভাবে কেরল থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে আরও ৩ জনকে। যে ৩ জনেরও বাড়ি মুর্শিদাবাদে। এই নিয়ে হইচই পড়ে গিয়েছে বাংলায়। এনআইএ-র এই ভূমিকায় ক্ষুব্ধ নবান্ন।

রাজ্য সরকারকে না জানিয়ে কেন মুর্শিদাবাদে তল্লাশি চালানো হল তা নিয়েই কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা বাহিনীর পূর্বাঞ্চলীয় কর্তার কাছে এর ব্যাখ্যা চেয়েছেন ডিজি। এই প্রসঙ্গেই রবিবার কোচবিহারের মাথাভাঙা রাজ্য সরকারকে সরাসরি আক্রমণ করেন সায়ন্তন বসু ।

তিনি বলেন, “শুনলাম রাজ্য পুলিশের ডিজিপি এনআইএ-কে চিঠি দিয়েছেন, জানতে চেয়েছেন কেন তাঁদের না জানিয়ে অভিযান চালানো হল। উত্তর আমার কাছেই রয়েছে। নবান্নে খবর দিয়ে তল্লাশি হলে জঙ্গিরা পালাত।” সায়ন্তন বসু আরও বলেন, “দিল্লি থেকে টিম এসে জঙ্গিদের গ্রেফতার করল, তাহলে ওখানকার পুলিশ কী করছিল? তবে কি পুলিশ সবটাই জানত?”

এদিন সায়ন্তন বসু বলেন, “আমি কেন্দ্রের কাছে আবেদন করব তদন্তের সময় রাজনৈতিক দিকও খতিয়ে দেখার জন্য।” সায়ন্তনের কথায়, “কোন কোন রাজনৈতিক ব্যক্তি ওই জঙ্গিদের মদত দিচ্ছে তা সামনে আসা প্রয়োজন।”

শনিবারই বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ এ প্রসঙ্গে বলেছিলেন, “পুলিশ জঙ্গিদের গ্রেফতার করতে পারছে না। অথচ সাধারণ মানুষকে বিজেপি করার অপরাধে গ্রেপ্তার করা হচ্ছে। গাঁজার কেস দেওয়া হচ্ছে।

তৃণমূল জঙ্গলমহলে মাওবাদীদের গতিবিধি এবং সারা পশ্চিমবাংলায় ইসলামিক জঙ্গি সংগঠনের গতিবিধি বাড়িয়ে তুলছে। এই দুই গোষ্ঠীকে কাজে লাগিয়ে ভোট জেতার চেষ্টা করছে। বিজেপি নেতাদেরও খুন করানো হচ্ছে।”

প্রশ্ন অনেক-এর বিশেষ পর্ব 'দশভূজা'য় মুখোমুখি ঝুলন গোস্বামী।