মুম্বই: একাধিক ধারায় ইসলামিক নেতা জাকির নায়েকের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করল NIA. ১৫৩ এ ধারায় ও UAPA আইনে এই মামলা দায়ের করা হয়েছে। অন্য ধর্মের সঙ্গে শত্রুতা ছড়াতে প্ররোচনামূলক প্রচার করা হচ্ছিল বলেই এই মামলা। শনিবার সকালে জাকির নায়েকের নিষিদ্ধ সংস্থা ‘ইসলামিক রিসার্চ ফাউন্ডেশনের সঙ্গে যুক্ত ১০টি জায়গায় তল্লাশিও চালায় গোয়েন্দারা। এফআইআরে রয়েছে এই সংস্থার নামও।

সূত্রের খবর, পিস টিভিতে প্রচারিত জাকির নায়েকের ভাষণ খতিয়ে দেখেই এই মামলা করেছে এনআইএ। এই পিস টিভিতেই আকা ঢালত জাকিরের সংস্থা। বাংলাদেশে গুলশনে জঙ্গি হামলার পরই শিরোনামে উঠে আসে জাকির নায়েকের নামল তার বক্তব্য শুনেই জঙ্গিরা অনুপ্রাণিত হয়েছিল বলে জানতে পারে বাংলাদেশের গোয়েন্দারা। গুলশন হামলায় হত্যা করা হয় ২০ জন নাগরিককে। এরপর বাংলাদেশের গোয়েন্দারা এনআইএ-র আধিকারিকদের সঙ্গে দেখা করে। যদিও এনআইএ-র করা এফআইআরে গুলশন হামলার কোনও উল্লেখ নেই।

জাকিরের বিরুদ্ধে পুলিশ কেস রয়েছে। বর্তমানে সৌদি আরবে রয়েছে জাকির নায়েক। বাবা মারা যাওয়াতেও ভারতে আসতে অস্বীকার করে সে। চলতি সপ্তাহেই পাঁচ বছরের কোনও নিষিদ্ধ করে দেওয়া হয় তার সংস্থা।

সম্প্রতি, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের ডংরি কার্যালয় থেকে এদিন ইস্যু করা একটি বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ‘কেন্দ্র সরকার জাকির নায়েকের বিভিন্ন বিতর্কিত মন্তব্যের ভিডিও ফুটেজ পেয়েছে। যেখানে ওসামা বিন লাদেনের মতাদর্শ প্রচারের মতো বিতর্কিত মন্তব্য করতে শোনা গিয়েছে। সেই ভিডিও গুলিতে দেখা গিয়েছে যে জাকির শ্রোতাদের বলছে সকল মুসলিমকে সন্ত্রাসবাদী হওয়া উচিত। সর্বত্র ইসলামের বিস্তার ঘটানোর জন্য প্রয়োজনে হিংসাকে হাতিয়ার করুক মুসলিমেরা। ভারতের জনসংখ্যার শতকরা ৮০ ভাগ মুসলিম করতে হবে। সংখ্যাগুরু হিন্দুদের ইসলামে ধর্মান্তরিত করতে হবে। প্রয়োজনে আত্মঘাতী বিস্ফোরণ ঘটিয়ে কমাতে হবে হিন্দু জনসংখ্যা।’ শুধু তাই নয় হিন্দু দেবদেবীদের নিয়েও ব্যাঙ্গাত্মক মন্তব্য করেছিল জাকির।