নয়াদিল্লি: আল-কায়েদা সন্দেহে ৬ জঙ্গিকে ফের হেফাজতে নিল এনআইএ৷ সোমবার রাতে কলকাতা থেকে দিল্লি নিয়ে যাওয়া হয় ধৃত জঙ্গিদের৷ পশ্চিমবঙ্গ ও কেরল থেকে ধৃত সন্দেহভাজন আল-কায়েদা জঙ্গিদের আজ মঙ্গলবার দিল্লির একটি আদালতে তোলা হয়৷

আদালত সন্দেহভাজন ৬ জঙ্গিকে এনআইএ হেফাজতে রাখার নির্দেশ দিল৷ ৪ দিনের হেফাজতে রাখার নির্দেশ দিয়েছে আদালত৷ মুর্শিদাবাদ থেকে ধৃত জঙ্গিদের রাতেই কলকাতা থেকে দিল্লি নিয়ে যাওয়া হয় বিশেষ বিমানে৷ কড়া নিরাপত্তায় তিনটি বিমানে ৬ জনকে নিয়ে যাওয়া হয় দিল্লিতে৷

সোমবার সন্ধ্যার পর ধৃত জঙ্গিদের সল্টলেক NIA অফিস থেকে কলকাতা বিমানবন্দরে নিয়ে যাওয়া হয়৷ সেখান থেকে রাতেই এয়ার ইন্ডিয়ার বিশেষ বিমান জঙ্গিদের নিয়ে দিল্লির উদ্দেশে রওনা দেন NIA আধিকারিকরা৷

ওই দিন সল্টলেক NIA অফিস থেকে কড়া নিরাপত্তায় বেশ কয়েকটি গাড়িতে করে মুর্শিদাবাদে ধৃত জঙ্গিদের কলকাতা বিমানবন্দরে নিয়ে যাওয়া হয়৷ কিন্তু তার আগে দফায় দফায় জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা (এনআইএ) এর গোয়ান্দাদের জিঞ্জাসাবাদ করেন ধৃত জঙ্গিদের ৷

তাতে অনেক চাঞ্চল্যকর তথ্য জানতে পেরেছেন গোয়ান্দারা৷ এনআইএ সূত্রে খবর, ধৃত আল মামুন কামান কেরল থেকে টাকা এনে একাধিক মাদ্রাসা খোলার পরিকল্পনা করেছিল৷ এর মাধ্যমে একাধিক সদস্য সংগ্রহ করাই ছিল তার আসল উদ্দেশ্য৷

এছাড়া ধৃত সন্দেহভাজন আল কায়দা জঙ্গিদের সঙ্গে জামাত যোগের সম্ভাবনাও উড়িয়ে দিচ্ছে না তদন্তকারি আধিকারিকরা৷

গত শনিবার ভোররাতে মুর্শিদাবাদ থেকে ধৃত জঙ্গি আবু সুফিয়ানের ফোন ঘেঁটে এনআইএ তদন্তকারী আধিকারিকরা জানতে পেরেছে, এদের ২২ সদস্যের একটি হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ ছিল। যে হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপের পুরো কথোপকথনই ছিল ডিলিটেড ফর্ম্যাটে। অর্থাত মুছে দেওয়া হয়েছিল পুরো কথোপকথনই।

এছাড়া আরও একটি হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপের নাম পেয়েছে গোয়ান্দারা৷ নতুন ওই হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপের নাম ‘কিতল ফর ইসলাম৷ অন্যদিকে, বেশ কিছু নম্বর উদ্ধার করেছে এনআইএ।

এই সমস্ত নম্বরগুলি কাশ্মীরের বলে তদন্তে উঠে এসেছে। সেগুলি বিস্তারিত খোঁজ চালানো হচ্ছে। পাশাপাশি গত কয়েকদিনে ধৃত ছয় জঙ্গি কাদের কাদের সঙ্গে যোগাযোগ করেছে বিস্তারিত খোঁজ নিচ্ছে এনআইয়ের গোয়েন্দারা।

প্রশ্ন অনেক-এর বিশেষ পর্ব 'দশভূজা'য় মুখোমুখি ঝুলন গোস্বামী।