নয়াদিল্লি : ইউএপিএ আইনে কাশ্মীরে বিচ্ছিন্নতাবাদী নেত্রী আসিয়া আন্দ্রাবির সম্পত্তির দখল নিল এনআইএ৷ সন্ত্রাসবাদী কাজকর্ম চালানো হত তার বাড়িতে, এই অভিযোগে বুধবার তার বাড়িরও দখল নেওয়া হয়েছে৷ ইতিমধ্যেই আসিয়ার বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগে মামলা চলছে৷

হাওয়ালা মামলায় একাধিক বার নাম জড়িয়েছে কাশ্মীরের বহু বিচ্ছিন্নতাবাদী নেতার৷ তার মধ্যে আসিয়ার নাম অন্যতম৷ ইতিমধ্যেই জেরা চলছে আনিস উল ইসলাম, তার বাবা আলতাফ আহমেদ শাহের৷ এদের দিল্লির তিহার জেলে বন্দি করে রাখা হয়েছে৷

আরও পড়ুন: প্রসেনজিতের পর রোজভ্যালিকাণ্ডে নাম জড়াল ঋতুপর্ণার

তবে এনআইএ সূত্রে খবর আসিয়ার বাড়িতে এখনও তল্লাশি চালানো হয়নি৷ যদিও তার সবকটি সম্পত্তির পরিমাণই খতিয়ে দেখবে জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা৷ এনআইএ জানায়, আইএসআইয়ের কাছ থেকে কাশ্মীর উপত্যকায় সন্ত্রাস চালানোর জন্য আর্থিক সাহায্যও পায় সে৷ এমনই তথ্য হাতে পেয়েছে জাতীয় গোয়েন্দা সংস্থা এনআইএ৷ দুদিন আগেই গ্রেফতার করা হয়েছে এই বিচ্ছিন্নতাবাদী নেত্রীকে৷

সূত্র জানাচ্ছে, আসিয়াকে জেরা করে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য মিলেছে৷ কাশ্মীরে লস্কর ই তৈবা ও জামাত উদ দাওয়ার সঙ্গে যোগাযোগ বজায় রাখে এই আসিয়া৷ সেখান থেকেই পাক সেনার একাংশের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা রেখে চলে সে৷ সম্পর্কে এক পাক সেনা অফিসার আসিয়ার আত্মীয় বলে জানা গিয়েছে৷

আরও পড়ুন: সুখবর সুখা দক্ষিণবঙ্গে, বাড়তে পারে বৃষ্টি

আন্দ্রাবির বিরুদ্ধে দেশদ্রোহিতা, উস্কানিমূলক বক্তব্য রাখা, বিভিন্ন নাশকতায় সাহায্য করার মত একাধিক অভিযোগ রয়েছে৷ ইউএপিএ ধারায় মামলা চলছে আসিয়ার বিরুদ্ধে৷ এনআইএ জানাচ্ছে, পাক সেনায় শুধু আসিয়ার আত্মীয়ই নয়, আরও বেশ কয়েকজন ঘনিষ্ট রয়েছেন৷ তাঁর সঙ্গে যোগ রয়েছে পাক গোয়েন্দা সংস্থা আইএসআইয়েরও৷ দুবাই ও সৌদি আরবে যে আত্মীয়রা থাকে, তারাও কাশ্মীরে সন্ত্রাস চালানোর জন্য আর্থিক সাহায্য করত বলে খবর৷

কাশ্মীরে দুখতারান-ই-মিল্লত নামে একটি সংগঠন চালাত আসিয়া৷ এই সংগঠনের আড়ালেই দেশদ্রোহী কাজ কর্ম চলত বলে মনে করছে এনআইএ৷ ২০১৮ সালের জুলাই মাসে একটি নাশকতার সঙ্গে এই দুখতারান-ই-মিল্লতের যোগ ছিল বলে জানা গিয়েছে৷ চার বছর আগে, সেনার ওপর পাথর ছুঁড়ে বিক্ষোভ দেখায় আসিয়া৷ সেই বিক্ষোভ মিছিলেই পাকিস্তানি পতাকা ও পাক জাতীয় সঙ্গীত গেয়েছিল সে, বলে জানতে পেরেছেন এনআইএ-র আধিকারিকরা৷