নয়াদিল্লি: ছত্তিশগড় মাও হামলায় শহিদ হয়েছিলেন ২২ জওয়ান। এই মারাত্মক হামলার নেপথ্যে নাম উঠে এসেছে বছর ৪০-এর হিডমার। সুত্রের খবর, মাওবাদীদের ১ ব্যাটালিয়নের মাথা মাডভি হিডমা। পাশাপাশি দণ্ডকারণ্য জোনাল কমিটির সদস্য এই মাও নেতা।জাতীয় তদন্ত সংস্থা(National Investigation Agency)এবার মাডভি হিডমাকে গ্রেপ্তারের জন্য ৭ লক্ষ টাকা পুরষ্কার ঘোষণা করেছে।

ছত্তিসগড়ের বিধায়ক ভীম মন্দাভি হত্যাকাণ্ডে যুক্ত থাকায় ২০১৯ সালে ২০ লক্ষ টাকা মাথার দাম ধার্য করেছে ছত্তিশগড় সরকার। ভীম মন্দাভি হত্যা মামলায় মাডভি হিডমার বিরুদ্ধে অভিযোগ দাখিল করেছিল এনআইএ। কয়েক সপ্তাহ আগে সুকমা-বিজাপুর সীমান্ত আক্রমণে মাডভি হিডমা জড়িত ছিল।দিল্লির ডিআইজি এবং রাঁচির এসপির নেতৃত্বে এনআইএ-র একটি দল ছত্তিশগড়ে যায়। এবং সেখানে মাডভি হিডমাকে গ্রেপ্তারের জন্য ৭ লক্ষ টাকা পুরষ্কার ঘোষণা করে।

গোয়েন্দা সুত্রে খবর, হিডমার বর্তমান বয়স ৩৫-৪৫-এর মধ্যে। সুকমা-বিজাপুর সীমান্তের পুবার্তি গ্রামে তার জন্ম।মাওবাদীদের কেন্দ্রীয় কমিটির নেতা বাসবরাজুর চেয়েও বেশি জনপ্রিয় হিডমা। যৌথ বাহিনীর অত্যাধুনিক প্রযুক্তির সঙ্গে তাল মিলিয়ে লড়াই করার দক্ষতা হিডমা ও তার ব্যাটালিয়নের রয়েছে। ত্রিস্তরীয় সুরক্ষা বলয় সবসময় ঘিরে রাখে হিডমাকে। সে জনপথ থেকে নিজেকে লুকিয়ে রাখে এবং গভীর জঙ্গলে স্বচ্ছন্দ বোধ করে। বেশিদিন এক এলাকায় থাকে না হিডমা ও তার সঙ্গীরা। যেহেতু ছোট থেকেই জঙ্গলে মানুষ এই মাওবাদী নেতা, এলাকার ভৌগলিক অবস্থান সম্পর্কে বেশ ওয়াকিবহাল তাই তাকে সহজে স্পট করা অসম্ভব।

উল্লেখ্য, ৩ এপ্রিল মাওবাদীদের খোঁজে যৌথ অভিযান চালাচ্ছিল সিআরপিএফের কোবরা বাহিনী, ডিআরজি এবং এসটিএফ৷ তাদের কাছে ওই এলাকায় মাওবাদী গতিবিধির খবর ছিল৷ছত্তিশগড়ের বিজাপুর এলাকার তেররামের জঙ্গলে পৌঁছাতেই তাঁদের ওপর হামলা চালায় মাওবাদীরা৷ পাল্টা জবাব দেয় বাহিনীও৷শুরু হয় মাওবাদীদের সঙ্গে নিরাপত্তা বাহিনীর গুলির লড়াই হয়। এনকাউন্টারে তপ্ত হয়ে ওঠে বস্তার অঞ্চলের বিজাপুর ও সুকমা জেলা। সেই ঘটনায় শহিদ হয় ২২ জওয়ান।স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেছিলেন, মাওবাদীদের শেষ করেই তিনি থামবেন।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.