স্টাফ রিপোর্টার: দাড়িভিটে ছাত্র মৃত্যুর ঘটনাটি নিয়ে জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের দ্বারস্থ হয়েছিলেন মৃত ছাত্রের পরিবার৷ সঙ্গে ছিলেন রাজ্য বিজেপির একাধিক নেতা৷ এছাড়াও দাড়িভিট কান্ডে মানবাধিকার লঙ্ঘন হয়েছে বলে NHRC-তে অভিযোগ জানিয়েছিলেন মালদার হিউম্যান রাইটস অ্যাক্টিভিস্ট শ্রীরূপা মিত্র চৌধুরী৷ এই সব অভিযোগ খতিয়ে দেখছেন ইসলামপুরে যাওয়া মানবাধিকার কমিশনের তিন সদস্যের একটি দল৷

শ্রীরূপা জানান, ‘আমি মানবাধিকার কমিশনে অভিযোগ জানিয়েছিলাম৷ ওখান থেকে আমাকে চিঠি দিয়ে জানানো হয়েছে যে ওনারা ৮ থেকে ১৫ তারিখ ইসলামপুরে দাড়িভিট কান্ডের তদন্ত করবেন৷ এবং সেই তদন্ত চলাকালীন আমাকে উপস্থিত থাকতে বলা হয়েছে৷’’তিনি জানিয়েছেন, ‘‘ মৃত দুই ছাত্র রাকেশ এবং তাপসের বাবাদেরও তদন্তে উপস্থিত থাকার জন্য মানবাধিকার কমিশনের তরফে অনুরোধ করা হয়েছে৷’’

মানবাধিকার কমিশনে ঠিক কী অভিযোগ করেছেন শ্রীরূপা? তিনি বলেন, ‘‘ দেখুন স্কুলে গুলি চলল দুজন ছাত্র মারা গেল৷ অভিযোগ উঠছে পুলিশ গুলি চালিয়েছে৷ এটা নিয়ে রাজনৈতিক চাপান উঠের চলছে৷ কিন্তু মূল বিষয়টা হল স্কুলে গুলি চলল কেন৷ এটা আর যুদ্ধক্ষেত্র নয়৷ তাই আমি মানবাধিকার কমিশনের মাধ্যমে এই ঘটনার পূর্ণাঙ্গ তদন্ত চেয়েছি৷’’

উত্তর দিনাজপুরের দাড়িভিট উচ্চ বিদ্যালয়ে ২০শে সেপ্টেম্বর উর্দু এবং সংস্কৃত শিক্ষক নিয়োগকে কেন্দ্র করে আন্দোলনে নেমেছিল ছাত্ররা৷ চলে গুলি৷ সেই গুলি লেগেই নিহত হয় দুই ছাত্র৷ অভিযোগ পুলিশের গুলিতেই দুই ছাত্রের মৃত্যু হয়েছে৷

ঘটনার দিনই মৃত্যু হয় রাজেশ সরকার নামে এক ছাত্রের৷ পরে উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজে মৃত্যু হয় অপর ছাত্র তাপস বর্মনের৷ পুলিশের গুলিতেই দুই পড়ুয়ার মৃত্যু হয় বলে দাবি করা হয়৷ ঘটনায় উত্তাল হয়েছে রাজ্য রাজনীতি৷ ২২শে সেপ্টেম্বর দাড়িভিটে গিয়ে জনতার রোষে পড়েন রাজ্যের মন্ত্রী গোলাম রব্বানি ও বিধায়ক কানাইয়ালাল আগারওয়াল৷