লিসবন: এলেন দেখলেন জয় করলেন। হ্যাঁ, আটলান্টার বিরুদ্ধে ম্যাচের পর পিএসজি’র ক্যামেরুন স্ট্রাইকার এরিক চৌপো মটিং’য়ের ক্ষেত্রে এই কথাই প্রযোজ্য। মাত্র ১১ মিনিটের আবির্ভাবে কাঙ্খিত গোল তুলে এনে পিএসজি’কে আড়াই দশক পর চ্যাম্পিয়ন্স লিগের সেমিফাইনালে পৌঁছে দিলেন মটিং। আর থ্রিলার ম্যাচে দলকে সেমিফাইনালে তুলে তাঁর পুরস্কারও পেলেন ক্যামেরুনের ফুটবলারটি।

ম্যাচ সেরার পুরস্কার নেইমারের হাতে তুলে দেওয়া হলেও ব্রাজিলিয়ান তারকা তাঁর ম্যান অফ দ্য ম্যাচ সম্মান চৌপা মটিং’য়ের হাতে তুলে দিয়ে তাঁকে সম্মান জানান এদিন। এদিন সারা ম্যাচে গোলের সামনে নেইমারের বাউন্ডুলেপনার জেরে আরও একবার কোয়ার্টারেই থমকে যেতে পারত পিএসজি’র চ্যাম্পিয়ন্স লিগের দৌড়। বলা যায় ৯৩ মিনিটে এমবাপের পাস থেকে মটিং’য়ের স্লাইডিং গোলটায় শাপমুক্তি হয় নেইমারের। আর সে কারণেই হয়তো ম্যাচ শেষে নিজের ম্যাচ সেরার পুরস্কার সতীর্থ গোলদাতার হাতে তুলে দিতে এতোটুকু কার্পণ্য করলেন না ব্রাজিলিয়ান তারকা।

এদিন ম্যাচের তৃতীয় মিনিটে বিপক্ষ গোলরক্ষকের সঙ্গে ওয়ান টু ওয়ান অবস্থায় যে সহজ সুযোগ নেইমার মিস করেন তা চোখে দেখা যায় না। এখানেই শেষ নয়। প্রথমার্ধে আরও দু’টি ক্ষেত্রে নেইমার ফিনিশিংয়ে আরেকটু তৎপর হলে জয়ের জন্য সংযুক্তি সময় অবধি পিএসজি’কে অপেক্ষা করতে হত না। কিন্তু পিএসজি’র সুযোগ নষ্টের প্রদর্শনীকে কাজে লাগিয়েই ২৭ মিনিটে গোল তুলে নেয় আটলান্টা। পাসালিচের গোলে একসময় সেমিফাইনালের গন্ধ পেয়ে যায় ইতালির ক্লাবটি। কিন্তু ৯০ মিনিটে স্বদেশী মার্কুইনহোসকে দিয়ে গোল করিয়ে পাপের কিছুটা প্রায়শ্চিত্ত করেন নেইমার।

এরপর সবাই যখন মোটামুটি অতিরিক্ত সময়ে খেলা গড়ানোর প্রস্তুতি নিচ্ছে তখনই ম্যাচে পার্থক্য গড়ে দেন মাউরো ইকার্ডির সুপার-সাব। ৭৯ মিনিটে ইতালির স্ট্রাইকারকে বসিয়ে মটিংকে মাঠে নামান টাচেল। সংযুক্তি সময়ের তৃতীয় মিনিটে এমবাপের পাস থেকে ক্যামেরুন স্ট্রাইকারের গোলেই ১৯৯৪-৯৫ মরশুমের পর চ্যাম্পিয়ন্স লিগের শেষ চার নিশ্চিত করে পিএসজি।

২০১৮ স্টোক সিটি থেকে পিএসজি’তে যোগ দেওয়া মটিংকে নিয়ে ম্যাচ শেষে পিএসজি কোচ বলেন, ‘আমি জানতাম ও একজন দুর্দান্ত ফুটবলার। যে মাঠে নেমে যে কোনও সময় ম্যাচের পার্থক্য গড়ে দিতে পারে। আজ গোটা দলে ও দারুণ এনার্জি ছড়িয়ে দিতে পেরেছে।’

প্রশ্ন অনেক: দশম পর্ব

রবীন্দ্রনাথ শুধু বিশ্বকবিই শুধু নন, ছিলেন সমাজ সংস্কারকও