প্যারিস: বার্সেলোনায় (Barcelona) কী ফিরবেন নেইমার (Neymar Jr.)? মনে করা হচ্ছিল লিওনেল মেসি (Lionel Messi) সমস্ত জল্পনা উড়িয়ে যদি কাতালান ক্লাবে থেকে যান, তাহলে নেইমার নাকি ফিরতে পারেন তাঁর পুরনো ক্লাবে। মেসি বার্সেলোনায় থাকছেন কীনা, সময় বলবে। কিন্তু মেসি থাকলেও তাঁর পাশে নেইমারকে দেখতে পাওয়ার আশা অন্তত ফুরলো। তাও আবার ২০২৫ অবধি। সমস্ত পারমুটেশন-কম্বিনেশনে জল ঢেলে শনিবার প্যারিস সাঁ জাঁ’র (Paris Saint-Germain) সঙ্গে আরও চার বছর চুক্তি বাড়িয়ে নিলেন ব্রাজিলিয়ান তারকা।

অর্থাৎ, বলা যায় ৩৩ অবধি প্যারিসের ক্লাবেই ভবিষ্যৎ সুরক্ষিত করে নিলেন একদা বার্সেলোনার জনপ্রিয় ‘এমএসএন’ জুটির অন্যতম মাথা নেইমার জুনিয়র। নয়া চুক্তি ঘোষণার সময় নেইমার নির্দ্বিধায় জানিয়ে দিলেন প্যারিসে তিনি সুখেই আছেন। এদিন ব্রাজিলিয়ান বলেন, ‘প্যারিস সাঁ জাঁ’র সঙ্গে আমার অ্যাডভেঞ্চার এগিয়ে নিয়ে যেতে পেরে আমি আনন্দিত। আমি প্যারিসে সুখেই আছি। আমি গর্বিত এই স্কোয়াডের অংশ হতে পেরে, দলের সকল ফুটবলারদের সঙ্গে এবং দুর্দান্ত একজন কোচের অধীনে ক্লাবের ইতিহাসের শরিক হতে পেরে। সবমিলিয়ে আমি খুশি চুক্তি বর্ধিত করে। আশা রাখি আরও অনেক ট্রফি এখানে আমি জিতব।’

কেবল নেইমারের বার্সেলোনার গুজবই যে দলবদলের বাজারে ঘোরাফেরা করছিল তা নয়। বার্সেলোনা অধিনায়ক লিওনেল মেসিরও প্যারিসে আসার জল্পনা দলবদলের বাজারে তৈরি হয়েছিল প্রাথমিকভাবে। কিন্তু সেই সম্ভাবনাও প্রায় নেই বললেই চলে। কারণ, সাম্প্রতিক সময়ে বার্সেলোনায় থাকবেন বলে ম্যানেজমেন্টকে কয়েকটি শর্তে বেঁধেছেন মেসি। আর কাতালান ক্লাব কর্তৃপক্ষও সেই পথেই হাঁটছে। তাই মেসির বার্সেলোনা ছাড়ার জল্পনা ফিকে হচ্ছে।

উল্লেখ্য, মাসখানেক আগে ক্লাবকে মেসি বলেছিলেন ট্রান্সফার মার্কেটে তিনি দেদার অর্থ খরচের পরিপন্থী। তবে দলে অন্তত একজন মার্কি ফুটবলার নতুন মরশুমে চেয়েছেন আর্জেন্তাইন। সেই তালিকায় ভাসছে আর্লিং হ্যালান্ড (Erling Haland), সার্জিও আগুয়েরোর (Sergio Aguero) নাম। আগুয়েরো আবার মরশুম শেষে ম্যান সিটি (Manchester City) ছাড়ছেন। সবমিলিয়ে বার্সেলোনার অগ্রভাগে দুই জাতীয় দলের দুই সতীর্থকে দেখতে পেলে অবাক হওয়ার কিছু থাকবে না।

বার্সেলোনায় মেসির একদা সতীর্থ নেইমারের সঙ্গে চুক্তি বাড়িয়ে নিয়ে আনন্দ প্রকাশ করেছে প্যারিসের ক্লাবটিও। টুইটারে তারা জানিয়েছে আগামী ৩০ জুন, ২০২৫ অবধি একদা ব্রাজিলের ওন্ডার-কিড তাদের সঙ্গেই থাকছেন।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.