সেন্ট পিটার্সবার্গ: নাটক করলেন, গোল করলেন, কান্নায় ভেঙেও পড়লেন৷ ব্রাজিল বনাম কোস্টা রিকা ম্যাচে পিটার্সবার্গের সবচেয়ে বড় শো-ম্যান হিসেবে নিজেকে মেলে ধরলেন নেইমার৷ ম্যাচের জন্য নির্ধারিত ৯০ মিনিটের মধ্যে যখন গোলমুখ খুলতে পারছিল না ব্রাজিল৷ পেনাল্টি আদায় করে নেওয়ার জন্য এইসময় ফাউলের নাটক করলেন এন-টেন৷ অতিরিক্ত সময়ের ৭ মিনিটে ডগলাস কোস্তার পাশ থেকে গোল করলেন নেইমার৷ গোল করার পর ম্যাচ শেষে মাঠে বসে নেইমারের কেঁদে ফেলার ছবি ধরা পড়ল টিভি ক্যামেরায়৷

কোস্টা রিকাকে হারিয়ে বিশ্বকাপে নিজেদের জায়গা শক্ত করার পর ম্যাচ শেষে কান্নায় ভেঙে পড়ার ব্যাখ্যা দিলেন নেইমার৷ ইন্সটাগ্রামে একটি পোস্টে নেইমার লেখেন, ‘এতটা আসতে আমি যে কিসের মধ্য দিয়ে গিয়েছি, তা অনেকেই জানে না৷ এই কান্না ,আনন্দ, সমস্যা কাটিয়ে ওঠা এবং জয় পাওয়া৷ আমার জীবনে কখনও কিছুই সহজ ছিল না৷ এখনও কিছুই সহজ নয়৷

বিশ্বকাপের শুরুতেই কোচ তিতো জানিয়েছিলেন ১০০ শতাংশ ফিট নন দলের সেরা ফরোয়ার্ড৷ তাঁর প্রমাণও দিয়েছেন নেইমার৷ সুইৎজারল্যান্ড ম্যাচ থেকে একাধিকবার মাঠে পড়ে গড়াগড়ি খেতে দেখা যায় নেইমারকে৷ কোস্টা রিকার ম্যাচে ৭৮ মিনিটে এক হাস্যস্পদ ঘটনা ঘটালেন বিশ্বের অন্যতম সেরা ফরোয়ার্ড৷ ডি-বক্সে কোস্টা রিকার ডিফেন্ডার তাঁকে ভালোভাবে স্পর্শও করেননি৷ অথচ ব্রাজিল তারকা এমনভাবে পড়ে গেলেন, যেন তাঁকে টেনেহিঁচড়ে ফেলে দেওয়া হয়েছে৷ এইভাবে পেনাল্টি আদায় করলেও ভিডিও রিভিউয়ে নেইমারের প্লে-অ্যাক্টিং ধরা পড়ে যাওয়ায় রেফারি সিদ্ধান্ত ফিরিয়ে নেন৷ তবে ম্যাচের শেষ মুহূর্তে পাওয়া গোল এনটেন-কে সমস্ত সমালোচনার হাত থেকে বাঁচিয়ে দিয়েছে৷