নয়াদিল্লি: ৩৭০ ধারা বিলোপে জম্মু-কাশ্মীরের বিশেষ মর্যাদা তুলে নেওয়ার পর অনেকেই বিরোধিতা জানিয়েছে৷ বিশেষ করে রাতের ঘুম উড়েছে পাকিস্তানের৷ আর এরইমাঝে রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘের নেতা ইন্দ্রেশ কুমার ১৩ জুলাই, মঙ্গলবার একটি ইংরেজি দৈনিকে প্রতিক্রিয়া দেন৷ যেখানে তিনি জানান, ৩৭০ ধারা বিলোপের পর পরবর্তী পদক্ষেপ হিসেবে কাশ্মীরি মুসলমানদের ‘ভারতীয়তা’ শেখাতে হবে৷

সঙ্ঘ নেতা কুমার আরও বলেন, একটি বিশেষ ধরণের ইসলাম ধর্ম রয়েছে যা রমজান এবং ইদকেও সম্মান জানায় না৷ এটি শুধু হিংসা ছড়ায়৷ পুলওয়ামা হামলা থেকেই এটা পরিষ্কার৷ কাশ্মীরি মুসলমানদের এই ধরণের ইসলাম ধর্ম থেকে দূরে থাকা উচিত৷ সমগ্র দেশের অন্যান্য মুসলমানরা এক রাষ্ট্র, এক পতাকা, এক সংবিধান এবং এক নাগরিকত্বের সিদ্ধান্ত মেনে নিয়েছে৷ আর এটাই একমাত্র পথ যার মাধ্যমে উপত্যকার উন্নতি হতে পারে৷

পাক প্রেসিডেন্ট আরিফ আলভি ৩৭০ ধারা বিলোপর নিয়ে সরাসরি জেহাদের কথা তুলেছেন৷ তিনি বলেন, ‘আমরা যুদ্ধ চাই না, কিন্তু ভারত যুদ্ধ করতে চাইলে তাদের কাছে যুদ্ধ করা ছাড়া আর কোনও রাস্তা থাকবে না৷’

আজ তক সংবাদ মাধ্যমে প্রকাশিত খবর থেকে জানা যাচ্ছে, পাকিস্তানের স্বাধীনতা দিবসে আরিফ বলেন, ‘সমগ্র দেশ দেখছে পাকিস্তান কাশ্মীরবাসীর সঙ্গে রয়েছে এবং সবসময় তাদের সঙ্গে থাকতে প্রস্তুত৷ তিনি এও বলেন, কাশ্মীরবাসীকে সাহায্য থেকে তারা পিছু হটবেন না৷’ এবং এই বিষয় নিয়ে পাকিস্তান UNSC-তে যাবেন বলেও জানান আলভি৷ তাঁর মতে, ‘নিয়ম নীতি ভেঙে জম্মু-কাশ্মীরে ৩৭০ ধারা বিলোপ করেছে ভারত৷’

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।