কলকাতা : নারী দিবসের ((Women’s Day) পদযাত্রার পর ডোরিনা ক্রসিং – এর সভা মঞ্চ থেকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee) বললেন, “আগামী ২ মে আমরাই জয়ের হাসি হাসবো। আমার সব প্রার্থী জিতবে। আমরা সবাই মিলবো। বিজেপি-র টাকা আছে, গুন্ডা আছে, মেশিনারি আছে। আমাদের সঙ্গে মানুষ আছে।” সত্যি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে যে মানুষ আছে সেটা আন্তর্জাতিক নারী দিবসের পদযাত্রায় আবার তিনি প্রমাণ করলেন। কলেজ স্কোয়ার থেকে ডোরিনা ক্রসিং পর্যন্ত নারী দিবসের মিছিলে এদিন প্রচুর মানুষ বিশেষ করে মহিলারা যোগ দিয়েছেন।

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এদিনের সভা মঞ্চ থেকে বলেন, “প্রধানমন্ত্রীর (PM) চেয়ারটাকে আমি সম্মান করি। কিন্তু তিনি যা মিথ্যা কথা বলেন সেটা আজব বিষয়।” মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এদিন বলেন, “ব্রিগেড থেকে প্রধানমন্ত্রী বলেছেন বাংলার মেয়েরা সুরক্ষিত নয়। আরে সকালে, রাতে , দুপুরে, বিকেলে মেয়েরা এখানে ঘুরে বেড়ায়। মোদী-শাহের গুজরাটে দু’বছরে খুন হয়েছে ১৯৪৪ জন, ৪৮২৯টি অপহরণ। ধর্ষণের শীর্ষে আছে আমেদাবাদ, উত্তর প্রদেশ, লজ্জা করে না?”

এদিন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির (Narendra Modi) ব্রিগেড সমাবেশকে (Brigade Meeting) মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কটাক্ষ করে বলেন ওটা আসলে “বি-গ্রেড”। এর পর গ্যাসের দাম বৃদ্ধি নিয়ে কেন্দ্রীয় সরকারকে তীব্র আক্রমণ করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তৃণমূল সুপ্রিমো বলেন, “যখন সারা বিশ্বে অপরিশোধিত তেলের দাম কমছে তখন জ্বালানির দাম বাড়িয়ে যাচ্ছে। একটা গ্যাস সিলিন্ডারের দাম ৯০০ টাকা । ভোট আসলে গ্যাস দিতে মানে মিথ্যা কথা বলতে আসে। কাল এসে বলে গেছেন, ঘরে ঘরে ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার বানাবে। অরে আমাদের ঘরে ঘরে ডাক্তার , ইঞ্জিনিয়ার আছে, তুমি কটা মোক্তার বানাও। এখানে এসে বিনা পয়সায় গ্যাস দিতে (পড়ুন মিথ্যা বলতে) হবে না।”

নারী শক্তিই সব শক্তির উৎস। এদিন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এই কথা উল্লেখ করে বলেন, “আমাদের ঘরে ঘরে দূর্গা, কালী রয়েছেন। নারী শক্তির চাইতে বড় শক্তি নেই।” বিজেপির বাংলা দখল প্রসঙ্গে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, “আবার বলে কিনা বাংলা দখল করবে! আমি বলি আগে দিল্লি সামলা। যতই করো হামলা, জবাব দেবে বাংলা।”

এর পর করোনা প্রসঙ্গ টেনে তৃণমূল নেত্রী বলে, “করোনার সময় কোথায় ছিলেন? সব ভার্চুয়াল (Virtual) হয়ে গেলো। কাজের সময় কারও দেখা পাওয়া যায়না। শুধু মিথ্যা কথা । টাকা দিয়ে এসব হয়না।” এর পরই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, “খেলা হবে।” উপস্থিত জনতার পক্ষ থেকে তীব্র স্বরে উত্তর আসে , “হ্যাঁ,খেলা হবে।”

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।