২০২১ সালে মোট চারটি গ্রহণ দেখা যাবে যার মধ্যে দুটি গ্রহণ (eclipse) সম্পন্ন হয়ে গেছে। প্রথম সূর্য গ্রহণ বৃহস্পতিবার ১০ ই জুন দেখা গিয়েছিল। এটি দুপুরবেলা ১.৪২ মিনিট থেকে সন্ধ্যা ৬.৪১ মিনিট পর্যন্ত স্থায়ী ছিল। ভারতের মধ্যে শুধুমাত্র অরুণাচল প্রদেশ এবং লাদাখে আংশিক সূর্যগ্রহণ দেখা গিয়েছে। এরপর দ্বিতীয় চন্দ্রগ্রহণ ১৯ শে নভেম্বর ২০২১- এ দেখা যাবে।

চন্দ্রগ্রহণ (partial lunar eclipse) আংশিক রূপে দেখা যেতে পারে। ইউরোপের বেশিরভাগ এলাকায়, এশিয়ার অধিকাংশ জায়গায়, অস্ট্রেলিয়া উত্তর পশ্চিম আফ্রিকা, উত্তর আমেরিকা, দক্ষিণ আমেরিকা, প্রশান্ত মহাসাগর, আটলান্টিক মহাসাগর, ভারত মহাসাগর, আর্টিক মহাসাগরে চন্দ্রগ্রহণ দেখতে পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

এই বছরের দ্বিতীয় সূর্যগ্রহণ (solar eclipse) ৪ ঠা ডিসেম্বর ২০২১- এ দেখতে পাওয়া যাবে। এটি পূর্ণ সূর্যগ্রহণ হবে বলে জানানো হয়েছে। এই গ্রহণ দক্ষিণ অস্ট্রেলিয়া, দক্ষিণ আফ্রিকা, আমেরিকার দক্ষিণ ভাগ, প্রশান্ত মহাসাগর, আটলান্টিক মহাসাগর, ভারত মহাসাগর এবং আন্টার্টিকায় দেখা যাবে।

এর পূর্বে প্রথম চন্দ্রগ্রহণ (full lunar eclipse) ২৬ শে মে ২০২১- এ হয়েছিল। ভারতের পূর্ব দিকের বেশ কিছু রাজ্যে, পশ্চিমবঙ্গের কিছু জায়গায়, ওড়িশা রাজ্যের কিছু অংশে এবং আন্দামান-নিকোবর দ্বীপপুঞ্জে দেখা দিয়েছিল চন্দ্রগ্রহণ। যখন পৃথিবী সূর্য ও চাঁদের মাঝে চলে আসে তখন চন্দ্রগ্রহণ (lunar eclipse) হয়। অপরদিকে যখন চাঁদ পৃথিবী ও সূর্যের মাঝখানে চলে আসেন তখন চন্দ্রগ্রহণ দেখা যায়। গ্রহণকে জ্যোতিষশাস্ত্রে একটি খারাপ অধ্যায় বলে বিবেচনা করা হয়।

১৫ দিনের ব্যবধানে দুটি গ্রহণ (eclipse) সংঘটিত হয়েছিল। এই সময় গৃহস্থদের জন্যে বেশ কিছু নিয়ম মেনে চলার পরামর্শ দেওয়া হয়। তবে গ্রহণের খারাপ প্রভাব থেকে নিজের জীবন ও নিজের পরিবারকে বাঁচাতে সব ব্যক্তিকেই ঈশ্বরের শরণাপন্ন হতে বলেন জ্যোতিষরা। এই সময় ঘর থেকে বের হওয়াও নাকি উচিত নয়।

এই বছরের প্রথম সূর্যগ্রহণের (solar eclipse) কোন খারাপ প্রভাব পড়েনি পৃথিবীতে। কারণ পৃথিবীতে আংশিক সূর্যগ্রহণ দেখতে পাওয়া গিয়েছিল। তাই সেই কারণেই কোনো শুভ কাজ আটকে থাকেনি জ্যোতিষ মতে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.