শ্রীনগর: ভোট বড় বালাই। রাজনৈতিক নেতাদের ক্ষেত্রে এই প্রবাদটি বিশেষভাবে প্রযোজ্য। অন্যদিকে ভোটারদের কাছে ভোট হচ্ছে দায়। সেই দায়িত্ব পালন করতেই বিয়ের মণ্ডপ থেকে ভোট কেন্দ্রে পৌঁছে গেলেন নবদম্পতি।

আরও পড়ুন- মমতার সভায় চরম বিশৃঙ্খলা, ভিড় সামলালেন মুখ্যমন্ত্রী

ঘটনাটি উত্তরের রাজ্য জম্মু-কাশ্মীরের। ওই রাজ্যের উধমপুর এবং শ্রীনগর কেন্দ্রে বৃহস্পতিবার সকাল থেকে শুরু হয়েছে ভোটগ্রহণ। সপ্তদশ লোকসভা নির্বাচনের দ্বিতীয় দফার ভোট গ্রহণের দিনে উধমপুর কেন্দ্রের এই দুই ভোটার চমকে দিয়েছেন সমগ্র দেশকে।

আরও পড়ুন- ভোট চলাকালীন আইইডি বিস্ফোরণ, এনকাউন্টারে মৃত দুই মাওবাদী

লাল স্যুট পরে বিয়ের সাজে ভোট কেন্দ্রে প্রবেশ করছেন এক মহিলা। পাশে রয়েছে কুর্তা পরিহীত এক পুরুষ। দুই ব্যক্তির হাভেভাবে বেশ বোঝা যাচ্ছে যাচ্ছে যে তাঁদের সম্পর্কের বিষয়টি। বিয়ের বেশে বুথে ঢুকছেন দুই পাত্র-পাত্রী। কিছুক্ষণ পরে জানা গেল প্রকৃত ঘটনা। যা দেখে অবাক সকলেই।

আরও পড়ুন- ছেলেরাও বোরখা পরে এসে ছাপ্পা দিচ্ছে, বিস্ফোরক দাবি বিজেপি প্রার্থীর

বিয়ের মণ্ডপ থেকেই নিজেদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে এসেছেন নব্দম্পতি। বিয়ের ব্যস্ততার মাঝে একটু সময় বের করতে সক্ষম হয়েছিলেন তাঁরা। আর সেই সুযোগটা হাত ছাড়া করতে চাননি তাঁরা। সময় বাঁচাতে বিয়ের সাজেই হাজির হয়ে গিয়েছিলেন ভোট কেন্দ্রে। যা নজর কেড়েছে সকলের। নজর এড়ায়নি সংবাদ মাধ্যমের।

আরও পড়ুন- পুরুলিয়ায় কর্মীর ঝুলন্ত দেহ: ময়নাতদন্তের ভিডিওগ্রাফি চায় বিজেপি

প্রতি পাঁচ বছরে ভোট হয়। বিয়ে জীবনে হয় একবার। বিয়ের অনুষ্ঠান চলে তিন দিন ধরে। কিন্তু ভোট একদিনের। এই সকল হিসেবের মাঝে ভোটকেই অধিক গুরুত্বপূর্ণ বলে করেছেন ওই পাত্র। তিনি বলেছেন, “আমাদের বিয়ের অনুষ্ঠান দুই থেকে তিন দিন ধরে চলবে। ভোট দিতে আমাদের খুব বেশি হলে ১০ মিনিট সময় লাগবে, এটা আমাদের অধিকার।” একই সঙ্গে তিনি আরও বলেছেন, “ভোট দাবের মাধ্যমেই আগামি পাঁচ বছরের জন্য আমাদের জনপ্রতিনিধি নির্ধারণ করতে পারি। আমরা ভোট না দিলে সেটা আমাদের দোষ, নেতাদের নয়।”

নতুন জীবন শুরু করার সময়েই জীবন সঙ্গীর ভোট দেওয়ার সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেছেন পাত্রী। সেই নববধূ বলেছেন, “স্বাস্থ্যকর গণতন্ত্রের জন্য ভোট দেওয়া খুবই প্রয়োজনীয়। দেশের সার্বিক উন্নতির জন্য আমাদের ভোট দেওয়া খুবই দরকার।”

আরও পড়ুন- রাজ্যে ১০০ শতাংশ বুথে কেন্দ্রীয়বাহিনী চাইছে বিজেপি