দুনেদিন: প্রথম ম্যাচে ৫৩ রানে বড় ব্যবধানে জয়ের পর দ্বিতীয় টি২০ ম্যাচে অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে উত্তেজক জয় পেল নিউজিল্যান্ড। দ্বিতীয় ম্যাচে ৪ রানে জিতে সিরিজে ২-০ ব্যবধানে এগিয়ে গেল কিউয়িরা। আর ব্যাটে-বলে এদিন কিউয়িদের জয়ের নায়ক নাইটদের নয়া রিক্রুট জিমি নিশম। ব্যাট হাতে ১৬ বলে ৪৫ রানের ক্যামিও ইনিংস খেলার পর বল হাতে শেষ ওভারে ১৫ রান ডিফেন্ড করেন তিনি।

এছাড়া কিউয়িদের হয়ে ব্যাট হাতে নায়ক মার্টিন গাপতিল এবং অধিনায়ক কেন উইলিয়ামসন। ওপেনার গাপতিল ৫০ বলে ৯৭ রানের বিধ্বংসী ইনিংসে খেলেন বৃহস্পতিবার। উইলিয়ামসন করেন ৩৫ বলে ৫৩ রান। গাপতিল, কেন এবং নিশম মূলত ত্রয়ীর ব্যাটে ভর করে এদিন দুনেদিনে অস্ট্রেলিয়াকে ২২০ রানের লক্ষ্যমাত্রা দেয় কিউয়িরা। ৬টি চার এবং ৮টি ছয়ের সাজানো ঝোড়ো ইনিংস খেলে শতরান থেকে তিন রান দূরে আউট হয়ে ফেরেন গাপতিল।

উইলিয়ামসনের অর্ধশতরানের ইনিংস সাজানো ছিল ২টি চার এবং ৩টি ছয়ে। এবং শেষদিকে ২৮১.২৫ স্ট্রাইক রেটে নিশমের মারকাটারি ইনিংসে ছিল ১টি চার এবং ৬টি ছক্কা। ৪৫ রানে অপরাজিত থাকেন নাইট তারকা। অস্ট্রেলিয়ার হয়ে সর্বোচ্চ ৩ উইকেট নেন কেন রিচার্ডসন। বিশাল রানের লক্ষ্যমাত্রার জবাবে শুরুটা ভালই করেছিলেন ম্যাথু ওয়েড। কিন্তু ১৫ বলে ২৪ রানে ফিরে যান তিনি। ১৪ বলে ১২ রানে ফেরেন আরেক ওপেনার অ্যারন ফিঞ্চ। ৩২ বলে ৪৫ রান আসে জোশ ফিলিপ্সের ব্যাট থেকে। ১১৩ রানে ৬ উইকেট খুঁইয়ে একটা সময় ম্যাচ থেকে কার্যত হারিয়ে যায় অজিরা।

কিন্তু সপ্তম উইকেটে ড্যানিয়েল স্যামসের সঙ্গে জুটি বেঁধে মার্কাস স্টোইনিসের ব্যাটে হঠাতই ম্যাচে ফেরে অস্ট্রেলিয়া। শেষ ওভারে অস্ট্রেলিয়ার লক্ষ্যমাত্রা দাঁড়ায় ১৫ রান। সারা ম্যাচে বল না করা জিমি নিশমের হাতে বল তুলে দেন অধিনায়ক উইলিয়ামসন। প্রথম বলেই স্যামসকে ফিরিয়ে ৯২ রানে জুটি ভাঙেন নিশম। এরপর পঞ্চম বলে মার্কাস স্টোইনিসকেও ফেরান তিনি। ৭টি চার এবং ৫টি ছয়ে ৩৭ বলে ৭৮ রানের ইনিংস খেলেন স্টোইনিস। স্যামস করেন মাত্র ১৫ বলে ৪১।

শেষ ওভারে জয়ের জন্য ১৫ রান প্রয়োজন থাকলেও ১০ রানের বেশি তুলতে পারেনি অস্ট্রেলিয়া। ৪ রানে থ্রিলার জয়ে সিরিজে ২-০ এগিয়ে যায় কিউয়িরা। ম্যাচের সেরা গাপতিল।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.