অকল্যান্ড: আধুনিক টি-২০ ক্রিকেটের গতিপ্রকৃতির সঙ্গে তুলনা করলে লো স্কোরিং ম্যাচ বলা ভুল হবে না অকল্যান্ডের ভারত-নিউজিল্যান্ড লড়াইকে৷ তবে ভারতীয় ইনিংসের শুরুতে যে রকম আগ্রাসী মেজাজে দেখা গিয়েছিল মন্ধনা-রডরিগেজকে, তাতে পিচে রানের হদিশ ছিল বলেই মনে হয়৷

এমন রানে ভরা পিচেও লো স্কোরিং ম্যাচ এত উত্তেজক রূপ নিতে পারে, তা আগে থেকে আন্দাজ করা সম্ভব ছিল না৷ ব্যাটাররা নিজেদের যথাযথ মেলে ধরতে না পারলেও ভারতীয় বোলাররা আগাগোড়া টাইট বোলিং করেন৷ আর তাতেই নিস্পত্তির জন্য ম্যাচ গড়ায় শেষ বল পর্যন্ত৷

আরও পড়ুন: সিরিজ বাঁচানোর ম্যাচে টসে হেরে ব্যাটিং ভারতের

জয়ের জন্য শেষ তিন ওভারে নিউজিল্যান্ডের মেয়েদের দরকার ছিল ১৯ রান৷ ক্রজে অপরাজিত ছিলেন সুজি বেটিসের মতো তারকা, যিনি ততক্ষণে হাফসেঞ্চুরির গণ্ডি টপকে গিয়েছেন৷ আঠারোতম ওভারে অরুন্ধতি রেড্ডির বলে সুজি ও পিটারসন সাজঘরে ফিরতেই চাপে পড়ে যায় নিউজিল্যান্ড৷ রেড্ডি ও দীপ্তির দু’টি ওভারে নিউজিল্যান্ড সাকুল্যে ১০ রান তোলে৷

অর্থাৎ জয়ের জন্য হোয়াইট ফার্নসদের শেষ ওভারে দরকার ছিল ৯ রান৷ যোশীর প্রথম বলেই বাউন্ডারি মারেন মার্টিন৷ পরের বলেই বোল্ড হন তিনি৷ তৃতীয় বলে ওভার থ্রো’র দৌলতে একের বদলে দু’রান যোগ হল নিউজিল্যান্ডের খাতায়৷ চতুর্থ ও পঞ্চম বলে দু’টি সিঙ্গলস রান নেন রোউই ও ক্যাসপারেক৷ স্কোর লেভেল অবস্থায় জয়ের জন্য শেষ বলে সিঙ্গল চুরি করে নেন দু’ই কিউয়ি ব্যাটার এবং দলের জয় নিশ্চিত করেন৷ অবশ্য শেষ বলে রান আউটের সুযোগ হাতছাড়া না করলে ভারত ম্যাচ টাই করতে পারত৷

আরও পড়ুন: সেঞ্চুরি ম্যাচে বড় ইনিংস গড়তে ব্যর্থ ভারত

তার আগে টসে হেরে প্রথমে ব্যাট করে ভারত নির্ধারিত ২০ ওভারে ৬ উইকেট হারিয়ে ১৩৫ রান তোলে৷ জেমিমা রডরিগেজ ৭২ ও স্মৃতি মন্ধনা ৩৬ রান করেন৷ বাকিরা কেউই দু’অঙ্কের রানে পৌঁছতে পারেননি৷ পালটা ব্যাট করে ২০ ওভারে ৬ উইকেটের বিনিময়ে জয়ের জন্য প্রয়োজনীয় ১৩৬ রান তুলে নেয় নিউজিল্যান্ড৷

সুজি বেটিস ৫২ বলে ৬২ রান করে ম্যাচের সেরা হন৷ ক্যাপ্টেন স্যাটার্থওয়েট ২৩ রানের যোগদান রাখেন৷ রাধা যাদব ও অরুন্ধতি রেড্ডি দু’টি করে উইকেট নেন৷ একটি করে উইকেট দখল করেন মানসি যোশী ও পুণম যাদব৷ অকল্যান্ডের ৪ উইকেটে জয়ের সুবাদে নিউজিল্যান্ড এক ম্যাচ বাকি থাকতেই তিন ম্যাচের টি-২০ সিরিজ জয় নিশ্চিত করে৷