ওয়েলিংটন: ক্রমেই ভয়াল রূপ নিচ্ছে ভারতের করোনা সংক্রমণ। প্রত্যেকদিন লাফিয়ে বাড়ছে আক্রান্তের সংখ্যা। গত দুদিন দেশের সংক্রমণ লক্ষ পার করেছে। এমতবস্থায় ভারতীয় পর্যটকদের নিউজিল্যান্ডে প্রবেশের ক্ষেত্রে সাময়িক বিরতি রাখল নিউজিল্যান্ড সরকার। এশিয়া মহাদেশের বিভিন্ন প্রান্তে করোনার প্রকোপ বেড়ে যাওয়াতেই বৃহস্পতিবার নিউজিল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী জ্যাসিন্ডা আর্ডান এই সিদ্ধান্ত নেন। শুধু তাই নয়, যেসব নিউজিল্যান্ডের বাসিন্দা এখন ভারতে আছেন, তাঁরাও সাময়িকভাবে দেশে ফিরতে পারবেন না।

নিউজিল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী জাসিন্ডা আর্ডান এক সাংবাদিক সম্মেলন করে বলেছেন, আগামী ১১ এপ্রিল স্থানীয় সময় চারটে থেকে ভারতীয় পর্যটকদের নিউজিল্যান্ডে প্রবেশের ক্ষেত্রে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হল। অর্থাৎ ১১ এপ্রিল থেকে ভারতীয়রা নিউজিল্যান্ডে প্রবেশ করতে পারবেন না। এমনকি নিউজিল্যান্ডের বাসিন্দারা যারা ভারতে আছে তারাও প্রবেশ করতে পারবে না। ২৮ এপ্রিল পর্যন্ত এই নিয়ম কার্যকর থাকবে। ভারতের করোনা ভয়াবহতা যাতে কোনওভাবেই নিউজিল্যান্ড পর্যন্ত না আসে, তা নিশ্চিত করতেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে খবর।

বিশ্বে করোনা আক্রান্ত দেশগুলোর মধ্যে নিউজিল্যান্ডই প্রথম দেশ যারা সংক্রমণ রোখার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ পথ দেখিয়েছিলো গোটা বিশ্বকে।গত মার্চে আক্রান্ত হয়েছিল মাত্র ১০০ জন। তারপরেই বিমান চলাচল বন্ধ করে দেশটি।বর্তমানে নিউজিল্যান্ডের নতুন করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ২৩ জন। এর মধ্যে ১৭জনই এশিয়া থেকে সম্প্রতি সেদেশে প্রবেশ করেছেন। এরপরেই ভারতীয়দের নিউজিল্যান্ডে প্রবেশ সাময়িকভাবে রদ করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।সম্প্রতি ভারতের সংক্রমণ হুহু করে বাড়ছে।

গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে করোনা আক্রান্ত হয়েছে ১ লক্ষ ২৬ হাজার ২৬৫ জন। এর ফলে দেশে মোট সক্রিয় আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ৯ লক্ষ ৫ হাজার ২১ জন। গত ২৪ ঘন্টায় করোনাকে জয় করে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ৫৯হাজার ২৫৮ জন। আক্রান্তের তুলনায় সুস্থতার হার অনেকটাই কম।যা রীতিমতন কাঁপুনি ধরাচ্ছে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।