ওয়েলিংটন: প্রথম দু’টি ম্যাচ জিতে পাঁচ ম্যাচের টি-২০ সিরিজে ২-০ এগিয়ে গিয়েছিল নিউজিল্যান্ড৷ কিন্তু পরের দু’টি ম্যাচ জিতে সিরিজে সমতা ফিরিয়েছিল অস্ট্রেলিয়া৷ রবিবার সিরিজ নির্ণায়ক ম্যাচে দুরন্ত পারফরম্যান্স ৩-২ সিরিজ জিতে নিলে নিউজিল্যান্ড৷

প্রথমে বল হাতে ইশ সোধি ও ট্রেন্ট বোল্টের দুরন্ত পারফরম্যান্স, পরে ব্যাট হাতে মার্টিন গাপ্তিলের ঝোড়ো ইনিংস৷ দলীয় পারফরম্যান্সে অজিদের বিরুদ্ধে সিরিজ জিতে নিল কিউয়িবাহিনী৷ ১৪২ রান তাড়া করতে নেমে ১৫.৩ ওভারে মাত্র তিন উইকেট হারিয়ে ম্যাচ জিতে নেয় নিউজিল্যান্ড৷ ৪৬ বলে ৭১ রানের দুরন্ত ইনিংস খেলে কিউয়িদের সহজ জয়ে এনে দেন গাপ্তিল৷ ইনিংসে সাতটি বাউন্ডারি ও চারটি ছয় হাঁকান অভিজ্ঞ কিউয়ি ওপেনার৷ সেই সঙ্গে টানা দু’ ম্যাচ হেরেও সিরিজ পকেটে পুরে নিল নিউজিল্যান্ড৷ গ্লেন ফিলিপ ছক্কা হাঁকিয়ে দলকে ম্যাচ ও সিরিজ জেতানোর ঠিক আগে দুরন্ত ইনিংস থামে গাপ্তিলের৷ তবে মাঠ ছাড়ার আগে ওয়েলিংটন স্টেডিয়ামের দর্শকদের কাছ থেকে স্ট্যান্ডিং ওবেসন পান কিউয়ি ওপেনার৷

অন্য কিউিয় ওপেনার ডেভন কনওয়ে ২৮ বলে ৩৬ রান করেন৷ ওপেনিং জুটিতে কনওয়ে ও গাপ্তিল ১০৬ রান যোগ করে কিউয়িদের জয় প্রায় নিশ্চিত করে ফেলেছিলেন৷ কনওয়ে আউট হওয়ার পর ক্যাপ্টেন কেন উইলিয়ামসন প্রথম বলেই ফিরে যান৷ কিন্তু ফিলিপকে নিয়ে দলের জয় নিশ্চিত করেন গাপ্তিল৷ ৫টি বাউন্ডারি ও ২টি ছক্কা হাঁকিয়ে মাত্র ১৬ বলে ৩৪ রানে অপরাজিত থেকে দলকে জিতিয়ে মাঠ ছাড়েন ফিলিপ৷

প্রথমে ব্যাটিং করে ম্যাথু ওয়েড ও ক্যাপ্টেন অ্যারন ফিঞ্চের ব্যাটে ভর করে কিউয়িদের সামনে ১৪৩ রানের টার্গেট রেখেছিল অস্ট্রেলিয়া৷ ওয়েডের ২৯ বলে ৪৪ এবং ফিঞ্চের ৩২ বল ৩৬ রানে অজি ইনিংসের উল্লেখযোগ্য রান৷ এছাড়া মার্কাস স্টওনিস ২৬ এবং মিচেল মার্শ ১০ রান করেন৷ নির্ধারিত ২০ ওভারে ৮ উইকেট হারিয়ে ১৪২ রান তুলেছিল অস্ট্রেলিয়া৷ কিউয়ি বোলারদের মধ্যে দারুণ বোলিং করেন সোধি৷ চার ওভারে মাত্র ২৪ রান খরচ করে তিনটি উইকেট তুলে নেন তিনি৷ আর ৪ ওভারে ২৬ রান দিয়ে ২টি উইকেট নেন বোল্ট৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।