মাউন্ট মাউনগানুই: পরিত্রাতা সেই লোকেশ রাহুল৷ সাম্প্রতিক সময়ে টিম ইন্ডিয়া যখনই সমস্যায় পড়েছে, রাহুলের শরণাপন্ন হয়েছে৷ টিম কম্বিনেশনের স্বার্থে ব্যাটিং অর্ডারে ক্রমাগত রদবদল হোক, অথবা উইকেটকিপিংয়ের বাড়তি দায়িত্ব, কেএল যথাযথ পালণ করেছেন তাঁর উপর চাপিয়ে দেওয়া দায়িত্ব৷

আরও পড়ুন: বিশ্বকাপে সর্বোচ্চ ৫টি অর্ধশতরানের নজির যশস্বীর

বে ওভালে আরও একবার ভারতীয় দলকে সমস্যা থেকে টেনে তুললেন রাহুল৷ টিম ইন্ডিয়া যখন ৬২ রানে ৩ উইকেট হারিয়ে কোণঠাসা, ঠিক তখন ব্যাট হাতে দুরন্ত সেঞ্চুরি করে দলকে লড়াই করার রসদ এনে দিলেন লোকেশ৷ মূলত তাঁর শতরানে ভর করেই মাউন্ট মাউনগানুইয়ে সিরিজের তৃতীয় তথা শেষ ওয়ান ডে ম্যাচে নিউজিল্যান্ডের সামনে চ্যালেঞ্জিং টার্গেট ঝুলিয়ে দেয় ভারত৷ টস হেরে প্রথমে ব্যাট করতে নেমে ভারত নির্ধারিত ৫০ ওভারে ৭ উইকেটের বিনিময়ে তোলে ২৯৬ রান৷ অর্থাৎ ম্যাচ জিতে কোহলিদের হোয়াইটওয়াশ করতে কিউয়িদের প্রয়োজন ২৯৭৷

আরও পড়ুন: গতবারের চ্যাম্পিয়ন ভারতকে হারিয়ে বিশ্বচ্যাম্পিয়ন বাংলাদেশ

ওপেন করতে নেমে আরও একবার ব্যর্থ হন ময়াঙ্ক আগরওয়াল৷ তিনি ১ রান করে জেমিসনের বলে বোল্ড হন৷ বিরাট কোহলি লোভ সংবরণ করতে না পেলে উইকেট দিয়ে আসেন৷ বেনেটের শর্ট পিচ বলে আপার কাট কাট করতে গিয়ে থার্ডম্যান বাউন্ডারি লাইনে জেমিসনের হাতে ধরা পড়ে যান ভারত অধিনায়ক৷ পৃথ্বী শ প্রথম দু’টি ম্যাচে ২০ ও ২৪ রান করে আউট হয়েছিলেন৷ বে ওভালে সেট হয়ে যাওয়ার পর দূর্ভাগ্যজনক রান-আউট হয়ে সাজঘরে ফিরতে হয় পৃথ্বীকে৷ আউট হওয়ার আগে ৩টি চার ও ২টি ছক্কার সাহায্যে ৪২ বলে ৪০ রান করেন তিনি৷

আরও পড়ুন: বিশ্বকাপ ফাইনাল শেষে হাতাহাতিতে জড়ালেন দু’দলের ক্রিকেটাররা

শ্রেয়স আইয়ারকে সঙ্গে নিয়ে চতুর্থ উইকেটের জুটিতে ১০০ রান যোগ করেন লোকেশ৷ শ্রেয়স ৯টি বাউন্ডারির সাহায্যে ৬৩ বলে ৬২ রান করে নিশামকে উইকেট দেন৷ লোকেশ আউট হন কেরিয়ারের চতুর্থ ওয়ান ডে সেঞ্চুরি পূর্ণ করার পর৷ ৯ট চার ও ২টি ছক্কার সাহায্যে ১১৩ বলে ১১২ রান করেন কএল৷ মণীশ পান্ডে ৬ নম্বরে ব্যাট করতে নেমে ৪৮ বলে ৪২ রান করেন৷ শার্দুল ঠাকুর ৭ রান করে ক্রিজ ছাড়েন৷ জাদেজা ও সাইনি উভয়েই ব্যক্তিগত ৮ রানে অপরাজিত থাকেন৷ বেনেট ৬৪ রানে ৪ উইকেট দখল করেন৷ জেমিসন ও নিশাম নেন ১টি করে উইকেট৷