বার্মিংহ্যাম: বৃষ্টিবিঘ্নিত এজবাস্টনে নিউজিল্যান্ডের সামনে জয়ের জন্য চ্যালেঞ্জিং টার্গেট ঝুলিয়ে দিল দক্ষিণ আফ্রিকা৷ বৃষ্টির জন্য ৪৯ ওভারে কমে দাঁড়ানো ম্যাচে টসে হেরে প্রথমে ব্যাট করতে নামে প্রোটিয়ারা৷ হাসিম আমলা ও ভ্যান ডার দাসেনের জোড়া হাফসেঞ্চুরিতে ভর করে ৬ উইকেটে ২৪১ রান তুলে তাদের ইনিংস শেষ করে দক্ষিণ আফ্রিকা৷ সুতরাং বার্মিংহ্যামে জয়ের জন্য নিউজিল্যান্ডের প্রয়োজন ৪৯ ওভারে ২৪২ রান৷

বৃষ্টিভেজা এজবাস্টনে সঙ্গত কারণেই প্রথমে বোলিং করার সিদ্ধান্ত নেন নিউজিল্যান্ড অধিনায়ক কেন উইলিয়ামসন৷ দলনায়কের সিদ্ধান্তকে যথাযথ প্রমাণিত করে নিউজিল্যান্ডকে প্রাথমিক সাফল্যও এনে দেন ট্রেন্ট বোল্ট৷ শুরুতেই তিনি ক্লিন বোল্ড করে সাজঘরে ফেরত পাঠান ওপেনার কুইন্টন ডি’কককে৷ মাত্র ৫ রান করে ক্রিজ ছাড়েন ডি’কক৷

অপর ওপেনার হাসিম আমলা চলতি বিশ্বকাপে পরিচিত ফর্মে না থাকলেও এই ম্যাচে চোয়াল চাপা লড়াই চালান৷ অধিনায়ক ডু’প্লেসি ও মার্করামকে সঙ্গে নিয়ে ৫০ ও ৫২ রানের দু’টি কার্যকরী পার্টনারশিপ গড়েন৷ ডু’প্লেসি ৩৫ বলে ২৩ রান করে ফার্গুসনের বলে বোল্ড হন৷ টুর্নামেন্টে নিজের প্রথম হাফসেঞ্চুরি পূর্ণ করে আমলা ফেরেন স্যান্টনারের বলে বোল্ড হয়ে৷ ফিরে যাওয়ার আগে ৪টি বাউন্ডারির সাহায্যে ৮৩ বলে ৫৫ রান করেন আমলা৷

মার্করাম ৫৫ বলে ৩৮ রান করে গ্র্যান্ডহোমের বলে মুনরোর হাতে ধরা পড়েন৷ সংক্ষিপ্ত ইনিংসে তিনি ৪টি বাউন্ডারির মারেন৷ ডেভিড মিলার ২টি চার ও ১টি ছক্কার সাহায্যে ৩৭ বলে ৩৬ রান করে ফার্গুসনের দ্বিতীয় শিকার হন৷ খাতা খোলার আগেই ফার্গুসন ফিরিয়ে অলরাউন্ডার ফেলুকাওয়োকে৷

ভ্যান ডার দাসেন অপরাজিত থাকেন ৬৪ বলে ৬৭ রান করে৷ তিনি ২টি চার ও ৩টি ছক্কা মারেন৷ ক্রিস মরিস নট-আউট থাকেন ৭ বলে ৬ রান করে৷ লকি ফার্গুসন ৫৯ রানের বিনিময়ে ৩টি উইকেট নেন৷ চলতি বিশ্বকাপে এই নিয়ে ১১টি উইকেট পকেটে পোরেন কিউয়ি পেসার৷ এছাড়া ১টি করে উইকেট নিয়েছেন ট্রেন্ট বোল্ট, কলিন ডি গ্র্যান্ডহোম ও মিচেল স্যান্টনার৷ কোনও উইকেট না পেলেও অত্যন্ত কৃপণ বোলিং করেন ম্যাট হেনরি৷ তিনি ১০ ওভার বল করে ২টি মেডেনসহ মাত্র ৩৪ রান খরচ করেন৷