পাল্লেকেলে: রস টেলরের ঠাণ্ডা মাথার ব্যাটিং শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে সিরিজের প্রথম টি-২০ ম্যাচে দুরন্ত জয় এনে দিল নিউজিল্যান্ডকে৷ ব্যর্থ হল কুশল মেন্ডিসের অনবদ্য লড়াই৷

পাল্লেকেলে ইন্টারন্যাশনাল স্টেডিয়ামে টস জিতে প্রথমে ব্যাট করতে নামে শ্রীলঙ্কা৷ নির্ধারিত ২০ ওভারে ৪ উইকেট হারিয়ে ১৭৪ রান তোলে সিংহলিরা৷ হাফ-সেঞ্চুরি করেন মেন্ডিস৷ তাঁকে সহায়তা করেন নিরোশন ডিকওয়েলা৷ কিউয়ি অধিনায়ক টিম সাউদি বল হাসে সামনে থেকে নেতৃত্ব দেন৷

আরও পড়ুন: ঘাড়ে বল লেগে হাসপাতালে ভারতীয় ক্রিকেটার

পালটা ব্যাট করতে নেমে নিউজিল্যান্ড ১৯.৩ ওভারে ৫ উইকেটের বিনিময়ে জয়ের জন্য প্রয়োজনীয় ১৭৫ রান তুলে নেয়৷ ব্যক্তিগত হাফ-সেঞ্চুরি হাতছাড়া করলেও দলকে জয়ের মঞ্চে বসিয়ে দিয়ে যান টেলর৷ তাঁকে যথাযথ সঙ্গত করেন কলিন ডি গ্র্যান্ডহোম৷ মালিঙ্গা আপ্রাণ চেষ্টা করেও কিউয়িদের জয় থেকে দূরে সরিয়ে রাখতে পারেননি৷

শ্রীলঙ্কার হয়ে ইনিংসের শুরুটা মন্দ করেননি মেন্ডিস ও কুশল পেরেরা৷ ওপেনিং জুটিতে দু’জনে ৪১ রান যোগ করেন৷ শেষে ১০ বলে ১১ রান করে পেরেরা আউট হন সাউদির বলে৷ আবিস্কা ফার্নান্দো ১৭ বলে ১০ রানের সতর্ক ইনিংস খেলে ক্রিজ ছাড়েন৷ তাঁকে আউট করেন মিচেল স্যান্টনার৷

আরও পড়ুন: জয়ের জন্য ওয়েস্ট ইন্ডিজকে বিশাল লক্ষ্যমাত্রা দিল ভারত

মেন্ডিস ৭৯ রানের ঝকঝকে ইনিংস খেলে প্যাভিলিয়নের পথে হাঁটা লাগান৷ ৫৩ বলের ইনিংসে তিনি ৮টি চার ও ২টি ছক্কা মারেন৷ ইনিংসের শেষ ওভারে নিরোশন ডিকওয়েলা আউট হন ২৫ বলে ৩৩ রান করে৷ ইনিংসের শেষ তিনটি বল ব্যাট করে ইসুরু উদানা ১৫ রান যোগ করেন৷ তিনি ২টি ছক্কা মারেন৷ দাসুন শানাকা নটআউট থাকেন ব্যক্তিগত ১৭ রানে৷ সাউদি ২টি ও স্যান্টনার ১টি উইকেট নেন৷

তুলনায় নিউজিল্যান্ডের শুরুটা ভালো হয়নি৷ মাত্র ৩৯ রানের মধ্যে কলিন মুনরো (০), মার্টিল গাপ্তিল (১১) ও টিম সেফার্তের (১৫) উইকেট হারিয়ে বসে কিউয়িরা৷ চার নম্বরে ব্যাট করতে নেমে কলিন ডি গ্র্যান্ডহোম ২৮ বলে ৪৪ রান করেন৷ তিনি ৪টি চার ও ২টি ছক্কা মারেন৷ রস টেলর আউট হন ৩টি চার ও ২টি ছক্কার সাহায্যে ২৯ বলে ৪৮ রান করে৷ ড্যারিল মিচেল ২৫ ও স্যান্টনার ১৪ রান করে অপরাজিত থাকেন৷ মালিঙ্গা ও ওয়ানিন্দু ডি’লিসভা ২টি করে উইকেট নেন৷ ১টি উইকেট ধনঞ্জয়ার৷ ম্যাচের সেরা হয়েছেন টেলর৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।