নিউইয়র্ক: যুক্তরাষ্ট্র টেনিস অ্যাসোসিয়েশনের প্রস্তাবমতো ৩১ অগস্ট থেকে ইউএস ওপেন আয়োজনের ব্যাপারে সবুজ সংকেত প্রদান করলেন নিউ ইয়র্ক গভর্নর অ্যান্ড্রু কুয়োমো। করোনা ভাইরাসের জেরে দেশজুড়ে বন্ধ সমস্ত স্পোর্টস ইভেন্ট। ইউএস ওপেনের মধ্যে দিয়েই দেশের মাটিতে স্পোর্টস ইভেন্ট ফেরানোর ব্যাপারে উদ্যোগ গ্রহণ করা হচ্ছে বলে জানা গিয়েছে।

এক টুইটাবার্তায় ইউএস ওপেন গভর্নর জানিয়েছেন, যুক্তরাষ্ট্রের টেনিস অ্যাসোসিয়েশন প্লেয়ারদের নিরাপত্তার কথা মাথায় রেখে ইউএস ওপেন আয়োজনের ব্যাপারে এক অভূতপূর্ব সতর্কতা গ্রহণ করবে। কুয়োমো জানিয়েছেন, ‘আমরা ইউএস ওপেন আয়োজনের ব্যাপারে ভীষণই উত্তেজিত। আগামী ৩১ অগাস্ট-১৩ সেপ্টেম্বর দর্শকহীন গ্যালারিতেই টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত হতে চলেছে। তবে আপনারা টিভিতে উপভোগ করতে পারবেন।’

উল্লেখ্য, অস্ট্রেলিয়া ওপেনের মধ্যে দিয়ে মরশুম শুরু হলেও করোনা ভাইরাসের জেরে এরপর থেকেই ব্যাপকভাবে টেনিস টুর্নামেন্টগুলো। ঐতিহ্যের গ্র্যান্ড স্ল্যাম উইম্বলডন বাতিল হয়ে গিয়েছে চলতি মরশুমের জন্য। ফরাসি ওপেন স্থগিত করে দেওয়া হয়েছে সেপ্টেম্বর অবধি। এরইমাঝে অগাস্টে নির্ধারিত ইউএস ওপেন নির্ধারিত সময় অনুষ্ঠিত হবে কীনা তা নিয়ে চলছিল ব্যাপক জল্পনা। এরইমধ্যে সম্প্রতি ফোর্বসের কয়েকটি রিপোর্ট দাবি করে আগামী ৩১ অগস্ট থেকে চলতি বছর যুক্তরাষ্ট্র ওপেন শুরু করার প্রস্তুতি নিচ্ছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের টেনিস অ্যাসোসিয়েশন। আর প্রস্তাব অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে এটিপি এবং ডব্লুটিএ।

সূত্রের খবর প্রকাশ্যে আসার পরেই রয়টার্সের তরফ থেকে যোগাযোগ করা হয়েছিল সেদেশের টেনিস অ্যাসোসিয়েশনের সঙ্গে। প্রত্যুত্তরে স্পষ্ট কোনও ইঙ্গিত পাওয়া না গেলেও ইএসপিএনের একটি রিপোর্ট প্রকাশ পেয়েছে ইউএসটিএ মুখপাত্রের ক্রিস উইডমেয়ারের বক্তব্য। সেখানে তিনি লিখেছেন, ‘আমরা টুর্নামেন্ট আয়োজনের সমস্ত প্রক্রিয়া এবং তার প্রতিটা পদক্ষেপ অনুসরণ করে চলেছি। আশা করছি ২০২০ যুক্তরাষ্ট্র ওপেন আমরা নির্ধারিত সময়ের আশেপাশেই শুরু করতে পারব।’ একইসঙ্গে খুব শীঘ্রই এব্যাপারে অফিসিয়াল কোনও ঘোষণার ইঙ্গিতও রয়েছে ইএসপিএনের রিপোর্টে। রিপোর্টগুলোতেও ৩১ অগাস্ট গ্র্যান্ড স্ল্যাম শুরুর কথা জানানো হয়েছিল।

এরপর নিউইয়র্ক গভর্নরের ঘোষণায় বেশ উচ্ছ্বসিত টেনিসমহল। তবে গ্র্যান্ড স্ল্যাম অনুষ্ঠিত হলেও বড় বড় তারকাদের উপস্থিতি নিয়ে প্রশ্ন থেকেই যাচ্ছে। কারণ দিনকয়েক আগেও যুক্তরাষ্ট্রের পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছিলেন নম্বর ওয়ান নোভাক জকোভিচ এবং কিংবদন্তি রাফায়েল নাদাল। সেদেশে খেলতে যাওয়ার ব্যাপারে অনীহা দেখিয়েছিলেন দুই তারকাই।

পপ্রশ্ন অনেক: চতুর্থ পর্ব

বর্ণ বৈষম্য নিয়ে যে প্রশ্ন, তার সমাধান কী শুধুই মাঝে মাঝে কিছু প্রতিবাদ