হাওড়া: শীতে হাজারো মানুষ পিকনিকে আসেন। বছরের অন্যান্য সময়েও মুক্ত প্রকৃতির মাঝে কিছুটা সময় কাটাতে বহু মানুষ গ্রামীণ হাওড়ার আমতার শটকার্ট চ্যানেলের দু’ই পাড়ে ভিড় জমান। এবার এই শটকার্ট চ্যানেলের দু’ই পাড়ের সৌন্দার্যায়নে বিশেষভাবে উদ্যোগী হল আমতা-২ পঞ্চায়েত সমিতি।

জানা গিয়েছে, আমতার থলিয়া থেকে বাক্সীর মুন্ডেশ্বরী নদী অব্ধি প্রায় ১২ কিলোমিটার দীর্ঘ এই চ্যানেলের দু’ই পাড়কে কংক্রিট বোল্ডার দিয়ে বাঁধানোর কাজ ইতিমধ্যেই শুরু হয়েছে। চ্যানেলের দু’ই পাড়ে বন দপ্তরের উদ্যোগে বিভিন্ন প্রজাতির গাছ লাগানোর প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। চ্যানেলের দু’ধার বরাবর সেহাগড়ী থেকে সাবগাছতলা পর্যন্ত পিচ রাস্তা তৈরির কাজ চলছে। পাশাপাশি, পর্যটকদের সুবিধার্থে একাধিক শৌচালয়, পানীয় জলের কল, উচ্চ বাতিস্তম্ভ নির্মাণ করা হবে বলে আমতা-২ পঞ্চায়েত সমিতি সূত্রে জানা গেছে।

আমতা-২ পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি সুকান্ত কুমার পাল জানান,”পর্যটন মানচিত্রে গ্রামীণ হাওড়ার আমতার এই অঞ্চলকে তুলে ধরতে ইতিমধ্যেই একাধিক উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। পর্যটকদের সুবিধার্থে খুব দ্রুত এখানে ৯০ লক্ষ টাকা ব্যয়ে কমিউনিটি হল ও গেস্ট হাউস গড়ে তোলা হবে।” তিনি আরও বলেন,”শটকার্ট চ্যানেলের পাড় থেকে সূর্যাস্তের নয়নাভিরাম দৃশ্য দেখতে বহু মানুষ এখানে আসেন। তাদের কথা ভেবে একাধিক ওয়াচ টাওয়ার তৈরি করা হবে।” আগামী দিনে এই শটকার্ট চ্যানেলের উভয় পাড়কে বায়ো-ডাইভারসিটি পার্ক রূপে গড়ে তোলার পরিকল্পনা রয়েছে বলেও সুকান্ত বাবু জানান।

প্রতিবছরই দামোদর তীরবর্তী এই মাঠে ভিড় জমান বহু মানুষ।স্থানীয় মানুষের পাশাপাশি শহরাঞ্চলেরও বহু মানুষ পিকনিকের জন্য উদং-১ গ্রাম পঞ্চায়েতের অন্তর্গত এই ময়দানে ভিড় করেন।সরকার ঘোষিত পিকনিক স্পট না হলেও বড়োদিন,১ জানুয়ারী সহ ডিসেম্বর জানুয়ারীর প্রায় প্রতি রবিবার শ’য়ে শ’য়ে মানুষ হাজির হন চড়ুইভাতির উদ্দেশ্যে।মাঠটি উদং উচ্চ বিদ্যালয়ের মালিকানাধীন হলেও মাঠে পিকনিক করতে লাগেনা কোনো বিশেষ অনুমতি,বা দিতে হয়না কোনো চাঁদা।

মাঠের আশপাশেই রয়েছে ফুলকপি,সরিষাক্ষেত।খেয়া পার করে দেখে আসা যেতে পারে তাজপুরের চাষিদের জীবন সংগ্রামের জ্যান্ত কোলাজ কিমবা সরিষাক্ষেত,ফুলকপির বাগানের অনন্যসাধারণ সৌন্দর্য্য।অদূরেই রয়েছে জেলার অন্যতম পর্যটন কেন্দ্র উদং কালীমাতা আশ্রম।নিশ্চিতভাবে আশ্রমের শান্ত,নীরব প্রাঞ্জল পরিবেশ যে কারুর মনকে প্রশান্তি দেবে।আবার অনেকে পিকনিক করতে আশ্রম চত্বরের বাইরের মাঠে হাজির হয়েছেন।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।