প্রতীকী ছবি

নয়াদিল্লিঃ  নয়া টেলিকম নীতি অনুমোদীত হল কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভাতে। নয়া টেলিকম নীতির নাম দেওয়া হয়েছে ন্যাশনাল ডিজিট্যাল কমিউনিকেশন পলিসি ২০১৮। এই পলিসি তৈরি হলে টেলিকম ক্ষেত্রে যুগান্তকারী পরিবর্তন আসবে বলে মনে করা হচ্ছে।

এই প্রস্তাবটি অনুমোদনের পর কেন্দ্রীয় টেলিকম মন্ত্রী মনোজ তেওয়ারি বলেন, ২০২২ সালের মধ্যে এই নীতির জেরে ৪০ লক্ষ কর্মসংস্থান হবে। এই নয়া নীতিতে সবথেকে বেশি জোর দেওয়া হবে হাই স্পিড ব্রডব্যান্ড সার্ভিসের উপর। এছাড়া অপটিক্যাল ফাইবার প্রযুক্তিকে আরও বেশি করে আনা হবে। আসছে ফাইভ জি। নতুন টেলিকম নীতির মাধ্যমে স্পেকট্র্যাম বরাদ্দ প্রক্রিয়ার আমূল পরিবর্তন করা হবে। এই নয়া টেলিকম নীতিতে অন্ততপক্ষে ১০০ বিলিয়ন ডলারের লগ্নি আনার লক্ষ্যমাত্রা নেওয়া হয়েছে বলে সরকারি সূত্রে জানানো হয়েছে।

টেলিকম সেক্টর সবথেকে বেশি আর্থিক ক্ষতির মুখে! ক্রমশ বাড়ছে প্রতিযোগিতা। সেই প্রতিযোগিতায় টিকে থাকাটা ক্রমশ চ্যালেঞ্জের হয়ে দাঁড়াচ্ছে। ইতিমধ্যে আইডিয়া এবং ভোডাফোন নিজেদের মধ্যে মিশে যেতে বাধ্য হয়েছে। বন্ধ হয়ে গিয়েছে একাধিক সংস্থা। যার ফলে ক্রমশ কর্মী ছাটাই বাড়ছে। টেলিকম সেক্টরেই সবথেকে বেশি কর্মীছাঁটাই এবং বেকারত্ব বাড়ছে বলে উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়েছে প্রতিটি বণিকসভার রিপোর্টেই।

এই পরিস্থিতির সামাল দিতেই কেন্দ্রীয় সরকার একটি খসড়া টেলিকম নীতি গ্রহণ করেছিল। সেই নীতির প্রধান লক্ষ্য আরও সমন্বিত ও সস্তায় হাই স্পিড পরিষেবা প্রদান। ঋণভারে জর্জরিত টেলিকম সেক্টরকে মুক্ত করার জন্য আরও বেশি করে বিদেশি লগ্নি চাইছে সরকার। আর সেজন্যেই এই নীতি।