নয়াদিল্লি: এক গুরুত্বপূর্ণ স্কোয়াড্রনকে নতুন করে কাজে লাগাচ্ছে ভারতীয় বায়ুসেনা। ‘ভ্যালিয়ান্ট’ স্কোয়াড্রনে থাকবে Su-30mki. এর আগে Mig-23 নিয়ে তৈরি হয়েছিল এই স্কোয়াড্রন। ২০০৯ সাল পর্যন্ত কার্যকর ছিল সেই স্কোয়াড্রন। পাকিস্তানের একেবারে কাছ ঘেঁষে পঞ্জাবের হালওয়ারা বেসে মোতায়েন করা হবে এই স্কোয়াড্রন।

এই এলাকায় বায়ুসেনার শক্তি বাড়াতে এই স্কোয়াড্রন খুবই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেবে বলে মনে করা হচ্ছে। শত্রুপক্ষের দিক থেকে হওয়া যে কোনও আক্রমণ সামলাতে কাজ করবে বায়ুসেনার এই হাতিয়ার। পশ্চিমবঙ্গের ব্যারাকপুরে ১৯৬৩ সালে তৈরি হয় এই স্কোয়াড্রন। এতে ছিল তিন ধরনের এয়ারক্রাফট ভ্যাম্পায়ার, স্লিটফায়ার ও হারিকেন এবং সু-৭। একাধিকবার এই স্কোয়াড্রন নিজেদের জায়গা পরিবর্তন করেছে। ৫৪ বছর ধরে কাজ করছে এটি। ১৯৭১-এর যুদ্ধে ও কার্গিল যুদ্ধে অংশ নিয়েছিল এই স্কোয়াড্রন।

অন্যদিকে, যুদ্ধের জন্য প্রস্তুত থাকতে বলা হয়েছে ভারতীয় বায়ুসেনাকে। এয়ার ফোর্সের তরফ থেকে বায়ুসেনা প্রধানকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, যে তিনি যেন তাঁর সেনাবাহিনীকে যুদ্ধের জন্য প্রস্তুত থাকার নির্দেশ দেন। পাকিস্তানের সঙ্গে ১০ দিনের যুদ্ধ, আর চিনের সঙ্গে ১৫ দিনের যুদ্ধের জন্য বায়ুসেনার সদস্যদের প্রস্তুত থাকতে বলা হয়েছে। গত সপ্তাহে নয়াদিল্লিতে অনুষ্ঠিত বায়ুসেনার কমান্ডারস কনফারেন্সে এই ঘোষণা করা হয়েছে।