নয়াদিল্লি: অনেকেই বলে দুপুরের ঘুম ভালো নয়৷ কিন্তু নয়া সমীক্ষায় দেখা গিয়েছে, দুপুরে ঘুমালে সচেতনতা বৃদ্ধি পায়, কথাবার্তা সাবলীল হয় এবং কাজের ক্ষেত্রে স্মৃতিশক্তি বৃদ্ধি পায়৷ এমনকী দুপুরে ঘুমালে মানসিক তৎপরতাও বৃদ্ধি পায় বলে গবেষণায় উঠে এসেছে৷

অনলাইন জার্নাল জেনারেল সাইকিয়াট্রিতে প্রকাশিত গবেষণা অনুসারে, দীর্ঘ জীবন এবং এর সঙ্গে যুক্ত নিউরোজেনারেটিভ পরিবর্তনগুলি উন্নয়নশীল বিশ্বে ৬৫ বছরের বেশি বয়সী ১০ জনের মধ্যে এক জনের স্মৃতিভ্রংশের সম্ভাবনা বাড়ায়৷ মানুষের বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে তাঁদের ঘুমের ধরণ বদলে যায়৷ দুপুরের ঘুমের পরিমাণও বেড়ে যায়৷ তবে এখনও পর্যন্ত প্রকাশিত গবেষণায় এটা স্পষ্ট নয় যে, বয়স্ক মানুষের মধ্যে জ্ঞান ভিত্তিক অবক্ষয় এবং স্মৃতিভ্রংশ রুখতে সাহায্য করে কিনা৷ বেজিং, সাংহাই এবং জিয়ান সহ চিনের বিভিন্ন বড় বড় শহরে আপাতদৃষ্টিতে স্বাস্থ্যবান কমপক্ষে ৬০ বছর বয়সী ২২১৪ জন মানুষের উপর এই সমীক্ষা চালানো হয়৷

এর মধ্যে ১৫৩৪ জন দুপুরে নিয়মিত ভাবে ঘুমান৷ ৬৮০ জন ঘুমান না৷ তাঁদের সকলেরই স্মৃতি চারণের ক্ষমতা যাচাই করা হয়েছিল মিনি মেন্টাল স্টেট সহ একাধিক পরীক্ষার-নিরীক্ষার মাধ্যমে৷ তাঁদের রাতে ঘুমানোর গড় সময় সাড়ে ছয় ঘণ্টা৷ এদিকে মধ্যাহ্ন ভোজনের পর দুপুরে ঘুমের সময় পাঁচ মিনিট থেকে ২ ঘণ্টা ধরা হয়েছে৷ সমীক্ষায় অংশগ্রহণকারীদের জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল তাঁরা সপ্তাহে কতদিন দুপুরে ঘুমিয়েছেন৷ সেটা এক দিন থেকে সাত দিন পর্যন্তও হতে পারে৷

ডিমেনশিয়া স্ক্রিনিং টেস্টগুলিতে ৩০টি আইটেম অন্তর্ভুক্ত ছিল৷ এর মধ্যে জ্ঞানীয় দক্ষতার বিভিন্ন দিক এবং উচ্চতর ফাংশন সহ ভিজু-স্পেসিয়াল দক্ষতা, কাজের স্মৃতি, মনোযোগের সময়কাল, সমস্যা সমাধান, স্থানীয় সচেতনতা এবং মৌখিক সাবলীলতা অন্তর্ভুক্ত। সব মিলিয়ে দেখা গিয়েছে যাঁরা দুপুরে ঘুমিয়েছেন তাঁদের স্মৃতিশক্তি ও মানসিক দক্ষতা অনেক বেশি রয়েছে৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

জীবে প্রেম কি আদৌ থাকছে? কথা বলবেন বন্যপ্রাণ বিশেষজ্ঞ অর্ক সরকার I।