নয়াদিল্লি: রামায়ণের উপর থিমেই ট্রেন আনছে কেন্দ্র। গোটা ট্রেনের সাজসজ্জায় থাবে রামায়ণের এক একটি গল্প। যাত্রাপথে যাত্রীরা শুনবে ভজনসঙ্গীত। রেলের নতুন রামায়ণ এক্সপ্রেস তীর্থযাত্রীদের সকল তীর্থস্থানগুলিতে নিয়ে যাবে।

সরকারি সূত্রে জানা গিয়েছে, মার্চ মাসের ১০ তারিখ নাগাদ এই ট্রেনটি যত্রা শুরু করবে বলেই জানা গিয়েছে। রেলওয়ে বোর্ডের চেয়ারম্যান ভিকে যাদব জানিয়েছেন, সারাবছরের শিডিউল আগামী সপ্তাহে জানানো হবে।

সংবাদসংস্থাকে তিনি জানিয়েছেন, “রামায়ণ এক্সপ্রেস ট্রেনটি উত্তর, দক্ষিণ, পূর্ব এবং পশ্চিম সবদিক থেকে এই ট্রেন সার্ভিস পাওয়া যাবে। ট্রেনের ভেতরে এবং বাইরে রামায়ণকে ভিত্তি করেই সাজানো হবে। গন্তব্যে পৌঁছতে শুনতে পারবেন ভজন সঙ্গীত।

আইআরসিটিসি প্ল্যান করছে কী হবে সিডিঊল, কেমন হবে প্যাকেজ তবে আমরা হোলির পরে এই ট্রেন চালানোর কথা ভাবছি, এমনটাই জানিয়েছেন রেলওয়ে বোর্ডের চেয়ারম্যান ভিকে যাদব।

ভারতীয় রেল ভগবান রামের নামে স্পেশাল ট্রেন অনেক আগেই আনা হয়েছে। ট্রেনটির নাম ‘শ্রী রামায়ণ এক্সপ্রেস কমপক্ষে ৮০০ জন যাত্রীকে নিয়ে যাত্রা করতে পারে যা ২০১৯ সালের নভেম্বর মাসে লঞ্চ হয়েছিল।

শ্রী রামায়ণ এক্সপ্রেস রামায়ণ সার্কিটের গুরুত্বপূর্ণ স্থানগুলিকে কভার করে যেমন, নন্দীগ্রাম, সীতামারহি, জনকপুর, বারানসি, প্রয়াগ, শ্রিংভেরপুর, চিত্রকূট, নাসিক, হাম্পি, অযোধ্যা, রামেশ্বরম। ঠিক তারপরেই রামায়ণ এক্সপ্রেসের পরবর্তী ট্রেনটি ঘোষাণা করতে চলেছে ভারতীয় রেল।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।