নয়াদিল্লি: গ্রাহকদের সমস্যার কথা মাথায় রেখে নম্বর পোর্টেবিলিটি সংক্রান্ত বিধি বদলের প্রস্তাব দিল ট্রাই ৷ গ্রাহকরা মোবাইল নম্বর একই রেখে অপারেটর সংস্থা বদলের যে সুবিধা পাচ্ছে তাকে বলা হয় মোবাইল নম্বর পোর্টেবিলিটি বা এমএনপি।

বাস্তবে অপারেটর সংস্থার অসহযোগিতার জন্য এই সুবিধা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে বলে বহু গ্রাহকের অভিযোগ রয়েছে৷ পরিস্থিতি বিচার করে এবার হস্তক্ষেপ করল ট্রাই।ফলে এই বিষয়ে বিধি বদলের প্রস্তাব দেয় দেশের টেলিকম নিয়ামক সংস্থা।

আরও পড়ুন: ইসলামপুরে ছাত্র খুনের ঘটনার তদন্তে সিআইডি

ট্রাইয়ের খসড়া বিধিতে জানান হয়েছে, ইউপিসি (ইউনিক পোর্টিং কোড) তৈরি করার জন্য গ্রাহকের অনুরোধ ১৯০০ শর্ট কোডে যেমন ডোনার অপারেটর নেটওয়ার্কে যাবে, তেমনই তা ফরোয়ার্ড হবে সংশ্লিষ্ট এমএনপি পরিষেবাকারী সংস্থার কাছে।

তারা তা পরীক্ষা করে ইউপিসি মোবাইল গ্রাহকের কাছে পাঠাবে বলে কর্তৃপক্ষ সিদ্ধান্ত নিয়েছে।ইউপিসি বৈধ থাকার সময়সীমা বর্তমানে সাত দিন থেকে কমিয়ে চার দিন করার প্রস্তাব করেছে নিয়ামক সংস্থা। তবে জম্মু ও কাশ্মীর এবং উত্তর-পূর্বাঞ্চলে ইউপিসি বৈধ থাকার সময়সীমা ১৫ দিনই থাকবে।

আরও পড়ুন: মুর্শিদাবাদ জেলা পরিষদের সভাধিপতি নির্বাচন

বর্তমান ব্যবস্থায় এক্ষেত্রে ডোনার অপারেটর (গ্রাহক যে সংস্থার নেটওয়ার্কে রয়েছেন) ইউপিসি তৈরি করে তা গ্রাহককে জানায় এবং মোবাইল নম্বর পোর্ট করার জন্য তিনি যোগ্য কিনা, তা জানতে গ্রাহকের চারদিন লেগে যায়।

তাছাড়া গ্রাহকের এমএনপি অনুরোধ বিল জমা না দেওয়া, বিশেষ স্কিমে সংযোগ দেওয়ার মতো বিভিন্ন কারণ দেখিয়ে খারিজ করতে পারে অপারেটর সংস্থা।এই পথ বন্ধ করার লক্ষে প্রস্তাবিত ব্যবস্থায় বলা হয়েছে, যদি গ্রাহক তাঁর নম্বর পোর্ট করার জন্য যোগ্য বলে বিবেচিত হন, তা হলে এমএনপি পরিষেবাকারী সংস্থা শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট গ্রাহককেই ইউপিসি জানাবে।

আরও পড়ুন: জানেন কেন এই কনের বেশ রাজনন্দিনী?

এক রিপোর্ট উল্লেখ করে করে ট্রাইয়ের যুক্তি, জমা পড়া পোর্টিং অনুরোধের ১১.১৬ শতাংশ খারিজ করে দেওয়া হয় অর্থাৎ গড়ে খারিজের সংখ্যা প্রায় ৫ লক্ষ ৮৭ হাজার। দেখা গিয়েছে মোট খারিজের মধ্যে প্রায় ৪০ শতাংশ হচ্ছে ‘ইউপিসি মিসম্যাচ’ এবং ‘ইউপিসি এক্সপায়ার্ড’ কারণে।প্রতি মাসেই গড়ে প্রায় ৫২ লক্ষ ৩৫ হাজার পোর্টিং অনুরোধ জমা পড়ে। তার মধ্যে ‘ইউপিসি মিসম্যাচ’ এবং ‘ইউপিসি এক্সপায়ার্ড’ কারণে ২০১৬-র এপ্রিল থেকে ২০১৭-র মার্চ পর্যন্ত প্রতি মাসে গড়ে খারিজ হয়েছে ২ লক্ষ ৩০ হাজার অনুরোধ।

আরও পড়ুন: ‘টাকা না থাকলে নির্বাচনে জিততে পারতেন না স্বয়ং রাম!’

ইউপিসি পাওয়ার পর গ্রাহক যে অপারেটর সংস্থার নেটওয়ার্কে যোগ দিতে চান, তাদের তা জানাবে এবং সংশ্লিষ্ট সংস্থা পরবর্তী প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার জন্য তা এমএনপি পরিষেবাকারী সংস্থাকে দেবে। তার পর এমএনপি পরিষেবাকারী সংস্থা পোর্টিং অনুরোধ সম্পূর্ণ করার জন্য ডোনার সংস্থাকে পাঠাবে। ট্রাইয়ের বেঁধে দেওয়া নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে পোর্টিং অনুরোধ পালন না করা হলে আর্থিক জরিমানার মুখে পড়বে পরিষেবাকারী সংস্থা।

আরও পড়ুন: পঞ্চায়েতের বিজেপি সদস্যকে মারধরে অভিযুক্ত তৃণমূল

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.