ইটানগর: “বিপুলা এ পৃথিবীর কতটুকু জানি?” কবি এক সময় যে পংক্তিটি লিখেছিলেনতা আজও সমান ভাবে প্রাসঙ্গিক। তাই তো মাঝে মধ্যেই সায়েন্স জার্নাল বা খবরের কাগজের পাতায় চোখে পড়ে প্রকৃতির মধ্যে থেকেই কোনও অত্যাশ্চর্য কিছু আবিষ্কার হওয়ার গল্প। কখনও খুঁজে পাওয়া যায় অদ্ভুত কোনও প্রাণী, কখনও আবার আবিষ্কৃত হয় কোনও গাছ। এমনই এক আবিষ্কার সম্প্রতি হয়েছে উত্তর পূর্ব ভারতে।

এক নতুন প্রজাতির গাছের সন্ধান মিলল অরুণাচল প্রদেশের তাওয়াং জেলায়। দেশের তিনটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের একদল বিজ্ঞানী ওই নতুন গাছের খোঁজ পেয়েছেন। নর্থ ইস্টার্ন রিজিওনাল ইনস্টিটিউট অফ সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজির গবেষক লোবসাং তাসি থাংগং জানিয়েছেন, গাছটি হিমালয়ের সূর্যমুখীর পরিবারের। আন্তর্জাতিক সায়েন্স জার্নাল Biodiversitas: Journal of Biological Diversity-তে এই প্রজাতীর গাছ সম্পর্কে লেখা প্রকাশ পেয়েছে।

গাছটির বিজ্ঞানসম্মত নাম ক্রেম্যান্থোডিয়াম ইন্ডিকাম (Cremanthodium indicum)। এই গাছে সাধারণ জুলাই থেকে আগস্টের মধ্যে ফুল ফোটে। তাওয়াং জেলার পেঙ্গা-টেং সো হ্রদের আশপাশে এই গাছ দেখতে পাওয়া গিয়েছে। বিজ্ঞানীদের যে দলটি এই গাছ আবিষ্কার করেছেন লোবসাং তাসি থাংগং ছাড়া সেই দলের অন্য সদস্যরা হলেন গবেষক দীপঙ্কর বরাহও ড. রাজীব কুমার সিং। দীপঙ্কর বরাহ অসমের গোয়ালপাড়া কলেজের বোটানির অ্যাসোসিয়েট প্রফেসর। আর ড. রাজীব কুমার সিং হলেন বোটানিকাল সার্ভে অফ ইন্ডিয়া (BSI)-এর বিজ্ঞানী।

উত্তর পূর্ব ভারতকে এমনিতেই ঢেলে সাজিয়েছে প্রকৃতি। এখানে অনেক কিছু দেখা যায় যার সৌন্দর্য যেমন অপার তেমনই তা অন্য কোথাও দেখতেও পাওয়া যায় না সহজে। নতুন এই প্রজাতির গাছটি তারই মধ্যে পড়ে। কিন্তু সময়ের সঙ্গে সঙ্গে এই গাছও হারিয়ে যেতে পারে পৃথিবী থেকে। বিজ্ঞানী থাংগং জানিয়েছেন, ইন্টারন্যাশনাল ইউনিয়ন ফর কনসারভেশন অফ নেচার (IUCN)-এর নির্দেশিকা অনুসারে এই গাছটি প্রজাতি বিপন্ন। তবে এর রক্ষণাবেক্ষণের জন্য এখনই কিছু পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে কিনা তা এখনও জানা যায়নি।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।