নয়াদিল্লি: শতবর্ষের ইতিহাস নিয়ে দাঁড়িয়ে আছে ভারতের সংসদ ভবন। স্বাধীনতার আগেই কাজ শুরু হয় সংসদ নির্মাণের। অনেক মতভেদের পর ঠিক হয়, কোথায় হবে সেই ভব। বিদেশি আর্কিটেক্টের হাতে শুরু হয় কাজ। তারপর অনেক ইতিহাসের সাক্ষী থেকেছে সেই লাল বিল্ডিং।

এবার তৈরি হচ্ছে নতুন ভবন। ইতিমধ্যেই হয়েছে শিলান্যাস। ৭৫ তম স্বাধীনতা দিবসের আগেই নতুন ভবন সম্পূর্ণ করার লক্ষ্য নেওয়া হয়েছে।

#মধ্যপ্রদেশের যোগীনি টেম্পলের আদলে তৈরি হয়েছিল বর্তমান সংসদ ভবন।

#ব্রিটিশ আর্কিটেক্ট এডুইন লুটেনস ও হার্বার্ট বেকারের হাতেই তৈরি এই ভবন।

#গোল না তিনকোনা? মতভেদ ছিল দুই আর্কিটেক্টের

#১৯২১ সালে শুরু হয় এই ভবন তৈরির কাজ। খরচ হয় ৮৩ লক্ষ।

#উদ্বোধনের কিছুদিন পরই একবার ডিবেট চলাকালীন খসে পড়ে চাঙড়।

#প্রায় শতবর্ষ পেরিয়ে তৈরি হচ্ছে নতুন পার্লামেন্ট বিল্ডিং

#৯৭১ কোটি খরচে তৈরি হচ্ছে নতুন ভবন

#৬৪,৫০০ স্কোয়্যার মিটার জায়গা জুড়ে হচ্ছে কাজ

#তিনকোনা ভবনের ভিতরে থাকবে তিনটি থিম- পদ্ম, ময়ূর, বট গাছ

#ভবনের মাথায় মুকুটের মত থাকবে অশোক স্তম্ভ

#ঢোলপুর স্টোন দিয়ে তৈরি হবে ভবন, ভিতরে থাকবে লাল গ্রানাইট

#১৫০ বছরের বেশি টিকে থাকবে নতুন ভবন।

#১৫০ শতাংশ বেশি সাংসদের বসার জায়গা তৈরি হচ্ছে।

#রাষ্ট্রপতি ভবন থেকে ঢিল ছোঁড়া দূরত্বে শুরু হচ্ছে ভারতের এক নতুন ইতিহাস

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।