কলকাতা: মিড-ডে-মিল নিয়ে হুগলীর স্কুলে জটিলতা তৈরি হওয়ায় তা রাজনীতির ময়দানে বেশ অনেকটা জায়গা করে নিয়েছে। শাসক-বিরোধি তরজাকে আমুল না দিয়ে এই বিষয়ে রাজ্যস্তরে অগাস্টের ২৩ তারিখ নোটিশ জারি করেছে পশ্চিমবঙ্গ সরকার। সেখানে নির্দিষ্ট করে দেওয়া হয়েছে মিডডে মিলের মেনু। জানানো হয়েছে ভাতের সঙ্গে পড়ুয়াদের পাতে থাকতে হবে পুষ্টিকর খাবার। তবে নির্দিষ্ট ওই টাকায় প্রতিদিন মাছ-মাংসের উপস্থিতি কতটা সম্ভব তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন খোদ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজেই।

কিছুটা ক্ষুব্ধ হয়ে তিনি বলেছেন বরাদ্দ এই টাকায় ডাল-ভাত-তরকারি পর্যাপ্ত পরিমাণ হলেই অনেক। তবে তা সকলের কাছে সমানভাবে পরিস্কার হওয়া দরকার। এই কথার পরই রাজ্য সরকারের তরফে একটি বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়েছে।

সোমবার বর্ধমানের প্রশাসনিক সভায় মুখ্যমন্ত্রী বক্তব্যে রাখেন। তিনি বলেন, মিড-ডে মিল নিয়ে বিভ্রান্তি কাটাতে বিজ্ঞপ্তি জারি করুন। সেই নির্দেশ মতো স্কুল এডুকেশন দফতর সোমবার মিড-ডে মিল নিয়ে এই নির্দেশিকা জারি করেছে।

তিনি মিড-ডে-মিল প্রসঙ্গে বলেন, “রাজ্যস্তরে মাছ বা ডিম দেওয়ার কথা বলা হয়নি। জেলাগুলি তাদের চাহিদা অনুযায়ী তালিকা তৈরি করবে। তাঁর ধারালো বক্তব্যে তিনি উল্লেখ করেছেন,”ডিমের দাম ৬ টাকা, আর মিড-ডে মিলের বাজেট ৪ টাকা ৩৪ পয়সা। ডিমের দেব কি করে আসবে অথচ জেলাগুলো তাদের যে তালিকা দিয়েছে তাতে ডিম ও মাছ আছে, তবে সপ্তাহে দু’দিন।”

চুঁচুঁড়ার একটি স্কুলে ছাত্রীদের মিড-ডে মিলে ‘নুন-ভাত, ফেনাভাত’ দেওয়াকে কেন্দ্র করে সামনে আসে মিড-ডে মিলে দুর্নীতির অভিযোগ। এই ঘটনায় শোরগোল পড়ে যায়। নুনভাত খাওয়ার ছবি সংবাদমাধ্যমে প্রকাশ পেতেই নিন্দার ঝড় ওঠে। এই পরিস্থিতিতে দাঁড়িয়ে কড়া পদক্ষেপ করে রাজ্যের বিভিন্ন জেলা প্রশাসন।

সম্প্রতি রাজ্যে মিড ডে মিলের দুর্নীতির অভিযোগ ব্যাপক হারে বেড়েছে৷ এতে চিন্তিত মুখ্যমন্ত্রী৷ তাঁর নির্দেশে দুর্নীতি রুখতে কমিউনিটি কিচেন তৈরি করা হচ্ছে বলে জানা গিয়েছিল৷ রাজ্যের মধ্যে প্রথম এই প্রজেক্ট সেপ্টেম্বরের প্রথম সপ্তাহেই চালু হতে চলেছে, এমনই খবর ছিল প্রশাসন সূত্রে৷

প্রশ্ন অনেক: দশম পর্ব

রবীন্দ্রনাথ শুধু বিশ্বকবিই শুধু নন, ছিলেন সমাজ সংস্কারকও