সৌপ্তিক বন্দ্যোপাধ্যায়: সরস্বতী তো অনেক দেখলেন। চিন্ময়ী সরস্বতীও এই ক’দিনে প্রচুর দেখলেন। কিন্তু দেবীর বাড়ি যাবার সময় তার সরস সতী রূপটি না দেখে থাকলে দেখে নিন সেই লুক। তবে কলকাতায় নয়, শহর ছেড়ে একটু অন্য পথে পা বাড়াতে হবে।

চন্দননগর মানে জলভরা সন্দেশের সরস স্বাদ। চন্দননগর মনে জগদ্ধাত্রী পুজো। ঢাক , ঢোল, সঙ্গে আলোর মেলা। কিন্তু প্রাক্তন ফ্রেঞ্চ কলোনি যে সরস সতীরও ঠিকানা। অন্তত সোশ্যাল মিডিয়া তাই বলছে। একদম ৩৬ ২৪ ৩৬ এর সাইজ পারফেক্ট সরস্বতী।

চন্দননগর জুড়েই মিলছে সেই সব ‘সেক্সি’ লুকের সরস্বতী দেখা। বাগবাজার থেকে বিদ্যালঙ্কার সর্বত্রই এখনও রয়েছেন সেই সমস্ত দেবী যাদের লুক আপনাকে কাহিল করতেই পারে।

‘পদ্মপুকুর চৌমাথা’র সরস্বতী বিনা বীণায় দাঁড়িয়ে রয়েছেন। কিন্তু সঙ্গী তাঁর জোড়া রাজহাঁস। কোমড় হেলিয়ে তাঁর ক্যাট স্ট্যান্ডিং লুক চমকপ্রদ। ‘দায়বক জগদ্ধাত্রী পাড়া’র দেবী আবার ওল্ড ইজ গোল্ড লুকের। রাবীন্দ্রিক যুগের ফুল হাত ব্লাউজ সঙ্গে খোঁপায় ফুল দিয়ে চুল এলিয়ে বসে রয়েছেন কাউচে।

‘কাঁটাপুকুর উদয়ন সংঘ’-এর দেবী আধশোয়া অবস্থায় বীনা বাজাচ্ছেন। ‘কলুপুকুর মেন রোড বিনয় বাদল দিনেশ সংঘ’-তে দেবী যেন গ্রিক দেবী।

বিনা ছেড়ে গ্রিক বাদ্য যন্ত্র হার্ব স্ট্রিং নিয়ে এক দিকে বেঁকে যেভাবে বসে রয়েছেন তা যথেষ্ট আবেদনময়ী। দেখে মনে হতেই পারে বলিউডের ছবি ক্যাটরিনার সেই চেলো বাজানো অবস্থায় লুক। ‘সান্তন সংঘের’ দেবী পুরো বিদেশিনী লুক। বিনা রয়েছে কাউচে রাখা।

বাগবাজারের দেবীর লুক পুরো দেশি। কিন্তু একটা এক্স ফ্যাক্টর রয়েছে সেই লুকে যা ঘায়েল করতে বাধ্য। ‘বিদ্যালঙ্কার একদা সমিতি’র দেবীর মুখ অনেকটাই টলিউড অভিনেত্রী স্বস্তিকা মুখোপাধ্যায়ের মতো। চোখের ঢুলু ঢুল চাহনিতে ভরা শুধুই চমক। আর শাড়িও একদম ডিজাইনার লুকের।

সবমিলিয়ে দেবীর এসব অন্যরকম কিলার লুক যেন ‘মার ডালা’সম।