কলকাতা:  করোনার প্রকোপ দিনে দিনে রাজ্যে বেড়েই চলেছে। ফের রাজ্যে লকডাউন জারি নিয়ে কড়াকড়ি চলছে। করোনা সংক্রমণ রুখতে মানতে হবে নিয়মাবলী। এর মধ্যেই বুধবার সকাল থেকে কলকাতায় পুলিশও সতর্কবার্তা দিচ্ছে সাধারণ মানুষদের।

বৃহস্পতিবার বিকেল ৫টা থেকে ফের লকডাউন কলকাকাতায়। চিহ্নিত করা হল ২৫টি জোন। তারমধ্যে রয়েছে বড় রাস্তা, বস্তি, আবাসন। এক নজরে রইল সেই তালিকা।

কলকাতা-সহ দুই ২৪ পরগনার কয়েকটি এলাকায় বৃহস্পতিবার বিকেল থেকেই নতুন করে লকডাউন ঘোষণা করেছে রাজ্য সরকার। ওই এলাকাগুলিতে নতুন করে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা বৃদ্ধি পাওয়ার কারণেই আরও কড়াকড়ির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানালেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আপাতত ৭ দিনের জন্য ওই এলাকাগুলিতে নজরদারি চলবে। ৭ দিন পর পরিস্থিতি বুঝে পরবর্তী পদক্ষেপ করবে রাজ্য সরকার।

এপ্রসঙ্গে বুধবার নবান্নে সাংবাদিক বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ‘যেহেতু কয়েকটা জায়গায় আক্রান্ত পাচ্ছি, তাই কন্টেনমেন্ট জোন। আপাতত ৭ দিনের জন্য কড়া নজরদারি চলবে। ৭ দিন পর পরিস্থিতি বুঝে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।’

এরই পাশাপাশি করোনার সংক্রমণ রুখতে আবারও মাস্ক পরায় জোর দেন মুখ্যমন্ত্রী। মাস্ক ছাড়া বাইরে বেরোলে পুলিশকে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ করতে নির্দেশ দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, ‘মাস্ক ছাড়া বেরোবেন না। মাস্ক পরে না বেরোলে বাড়ি ফেরত পাঠাবে পুলিশ।’

রাজ্যে বেড়ে চলা সংক্রমণে লাগাম পরাতে এ এবং বাফার জোন মিলিয়ে কন্টেনমেন্ট জোন তৈরি করা হয়েছে। কয়েকটি জায়গায় ছোট-ছোট করে কন্টেনমেন্ট জোন তৈরি করে নজরদারি বাড়ানো হবে। অন্যদিকে জানা গিয়েছে, পুলিশের কড়া নজরদারির মধ্যে চলবে লকডাউন।

বাড়ি থেকে বেরোতে এমনিতেই নিষেধাজ্ঞা জারি করা হচ্ছে পুলিশের তরফ থেকে। খুব প্রয়োজনে বাড়ির বাইরে এলেও সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখাও জরুরি বলে মনে জানানো হয়েছে। এছাড়া কন্টেনমেন্ট জোনে লকডাউন জারি হলে সেখানে যানবাহনও বন্ধ রাখা হবে বলে জানা যাচ্ছে।

পপ্রশ্ন অনেক: চতুর্থ পর্ব

বর্ণ বৈষম্য নিয়ে যে প্রশ্ন, তার সমাধান কী শুধুই মাঝে মাঝে কিছু প্রতিবাদ