নয়াদিল্লি: রেডিও’র মাধ্যমে ‘মন কি বাত’ অনুষ্ঠানে দেশবাসীর উদ্দেশ্যে নিজের বক্তব্য রাখছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। একদিকে যখন দেশের একাধিক রাজ্য কৃষক আন্দোলনে উত্তাল , অন্যদিকে অব্যহত করোনা সংক্রমণ। এই দুইয়ের মধ্যেই এদিন মন কি বাত অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী।

তিনি বলেন, “নতুন কৃষি আইনে ভারতীয় কৃষকদের জন্য একটি সুযোগের দরজা খুলে দিয়েছে।” মোদী জানান, কয়েক বছর ধরে কৃষকরা যে দাবিগুলি করে আসছিল, তা শেষ পর্যন্ত পূরণ হয়েছে।

তবে প্রধানমন্ত্রী মোদী এই আইনকে কৃষকদের ভালোর জন্য বললেও রাজধানীতে কৃষকদের অবস্থান মোটেই সেকথা জানাচ্ছে না। কেন্দ্রের নয়া কৃষি আইনের জেরে কৃষকদের স্বার্থে আঘাত লাগবে, এই আশঙ্কা থেকেই কয়েকমাস ধরে বিক্ষোভ দেখাচ্ছেন দেশের একাধিক রাজ্যের কৃষক-সমাজ। বিক্ষোভ চরম আকার নিয়েছে পঞ্জাব, হরিয়ানা-সহ উত্তর ভারতের রাজ্যগুলিতে। বিগত চারদিন ধরে কৃষকদের অভূতপূর্ব আন্দোলনে নড়ে উঠেছে দেশ। আইন বাতিল করার দাবিতে সরব হয়েছে কৃষকেরা। হাজার হাজার কৃষকেরা বর্তমানে দিল্লির আশেপাশে শিবির করে রয়েছেন।

বিক্ষোভরত কৃষকদের সঙ্গে আগেই আলোচনায় বসতে চান বলে জানিয়েছেন কেন্দ্রীয় কৃষিমন্ত্রী। আগামী ৩ ডিসেম্বর কৃষকদের প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠক করবেন বলে জানিয়েছেন কেন্দ্রীয় কৃষিমন্ত্রী নরেন্দ্র সিং তোমর। বিক্ষোভকারী কৃষকদের আলোচনায় বসার বার্তা দিয়েছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীও।

কৃষি আইন ছাড়াও মোদী এদিনের অনুষ্ঠানে বলেন, “একটি ভালো খবর শোনাচ্ছি, মা অন্নপূর্ণা দেবীর প্রতিমা কানাডা থেকে ফিরিয়ে আনা হয়েছে। আমি কানাডা সরকারকে এর জন্য ধন্যবাদ জানাই।”

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।