স্টাফ রিপোর্টার, বারাকপুর: উত্তর ২৪ পরগণা খড়দহের বাঙালি বিজ্ঞানীর হাত ধরে ব্যাকটেরিয়া ও ছত্রাকের মাধ্যমে পঞ্চভূতে বিলীন হচ্ছে প্লাস্টিকজাত দ্রব্য৷

প্লাস্টিকজাত দ্রব্যকে ধ্বংস করার ফর্মুলা এবং ১৫টি প্রজাতির ব্যাকটেরিয়া ও ছত্রাক আবিষ্কার করলেন উত্তর ২৪ পরগনার খড়দহের বাঙালি বিজ্ঞানী তথা অধ্যাপক ডা: স্বপন কুমার ঘোষ।

স্বপন বাবু উত্তর ২৪ পরগনার খড়দার রহরা রামকৃষ্ণ মিশন শতবার্ষিকী কলেজের বোটানির অধ্যাপক এবং ক্যান্সার গবেষক। ইতিমধ্যেই ক্যান্সারের জীবাণু ধংস করার নতুন প্রতিষেধক আবিষ্কারেরও চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন এই বাঙালি গবেষক। রহড়া রামকৃষ্ণ মিশন বিবেকানন্দ শতবার্ষিকী কলেজের ল্যাবরেটরিতেই গবেষনা করে প্লাস্টিকজাত দ্রব্য ধ্বংসকারী ব্যাকটেরিয়া ও ছত্রাক আবিষ্কার করেছেন বিজ্ঞানী স্বপন কুমার ঘোষ।

ফাইল ছবি

স্বপন বাবুর দাবি, ৫০ মাইক্রনের কম প্লাস্টিকজাত যেসব দ্রব্য প্রকৃত অর্থে পরিবেশকে দূষিত করে বা যা মাটিতে মেশে না, সেই সব প্লাস্টিকজাত দ্রব্যকে মাত্র ১৫০ দিনে তার তৈরী ব্যাকটেরিয়া ধ্বংস করে পঞ্চভূতে বিলীন করে দেবে৷ ২০১২ সাল থেকে ব্যাকটেরিয়া ও ছত্রাক নিয়ে গবেষনা করছেন উত্তর ২৪ পরগনার খড়দহের এই বাঙালি বিজ্ঞানী৷

ইতিমধ্যেই তার এই আবিষ্কার স্বত্ব কিনে নিতে এক ফরাসি ব্যবসায়িক সংস্থার প্রতিনিধিরা যোগাযোগও করেছিলেন তার সঙ্গে৷ কিন্তু তিনি তাঁদের সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ হননি৷ এই বাঙালি বিজ্ঞানী বাংলার জন্য কাজ করতে চান৷ বিজ্ঞানী স্বপন ঘোষ বললেন, ‘আমার আবিষ্কার পরিবেশ বান্ধব। দৈনন্দিন জীবনে ব্যবহারকারী ক্যারিব্যাগ থেকে জলের বোতল, এমনকি ইঞ্জেকশনের সিরিঞ্জ বা স্যালাইনের বোতল সবই ধ্বংস করবে আমার আবিষ্কৃত এই ব্যাকটেরিয়া। আমার ব্যাকটেরিয়া ১৫০ দিনে প্লাস্টিকজাত দ্রব্যকে পঞ্চভূতে বিলীন করে দেবে। আমাদের রাজ্যের পৌরসভা গুলি পরীক্ষামূলকভাবে আমার আবিষ্কৃত ব্যাকটেরিয়া ও ছত্রাক ব্যাবহার করলে সুফল পাবে। যা সমাজের তথা পরিবেশের পক্ষে উপকারী হবে।’

আমেরিকা থেকে পাশ করা স্বপন বাবু সব সময়ই চান বাংলার জন্য কাজ করতে, বাংলাকে এগিয়ে নিয়ে যেতে। স্বপন বাবুর যুগান্তকারী প্লাস্টিকজাত সামগ্রী নিশ্চিহ্ন করার এই আবিষ্কার নিঃসন্দেহে গোটা বিশ্বের কাছে দৃষ্টান্ত।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

Comments are closed.