স্টাফ রিপোর্টার, আলিপুরদুয়ার: প্রায় এক দশক হতে চলল পর্যটন মানচিত্রে গারুচিরা একটি বিশেষ জায়গা করে নিয়েছে। অনেকেই গারুচিরা ঘুরে এসে বন্ধুমহলে নানা বর্ণনা দেন। নিসর্গ প্রকৃতির কারণেই গারুচিরা এতদিন পর্যটক টানত। কিন্তু, কিছুদিন হল গারুচিরায় থাকার কটেজগুলি বেহাল হয়ে পড়েছে। সেই সব কটেজে থাকার বড়ই অসুবিধে হয় বলে সম্প্রতি পর্যটকরা গারুচিরা থেকে মুখ ফিরিয়ে নিয়েছে।

এর জেরে স্থানীয় পর্যটন ব্যবস্যায়ীরা ক্ষতির মুখে পড়েছে। এমন ভাবে থাকলে বেড়ানোর মরশুমেও গারুচিরা পর্যটক শূন্য হয়ে পড়বে। কটেজগুলির বেহাল দশা দূর করতে এবার এগিয়ে এল আলিপুরদুয়ায়ের জেলা প্রশাসন। সে কারণে আবার নতুন করে স্বপ্ন দেখতে শুরু করেছে গারুচিরাবাসী। তারা মনে করছেন, আগামী দিনে পর্যটকের ঢল নামবে গারুচিরায়।

ভুটানের সীমান্তে অবস্থানের কারণে এই গ্রাম এমনিতেই প্রাকৃতিক সুন্দর্যে ভরপুর। নানা রকম পাখি দেখা যায় বলে পক্ষীবিদদের কাছেও প্রিয় হয়ে উঠেছে গারুচিরা। তিন-চার বছর আগেও পুজোর সময় এখানে থাকার জায়গা পাওয়া যেত না। কিন্তু, ইদানীং কাটেজগুলি পরিচর্যার অভাবে পর্যটক শূন্য হওয়ার মুখে চলে যেতে বসেছে। এবার সেই বেহাল দশার ইতি। কিছুদিনের মধ্যেই মাথা তুলে দাঁড়াবে গারুচিরা।

গারুচিরায় জলের সমস্যা বরাবর ছিল। তবে, বছর দুয়েক আগে ভুটান থেকে মজবুত পাইপের মাধ্যমে জল সরবরাহের ব্যবস্থা করা হলেও হাতির তান্ডবে তা নষ্ট হয়ে যায়। এই ব্যাপারেও এবার পদক্ষেপ নেবে আলিরপুদুয়ার জেলা প্রশাসন। আরও কোন কোন বিষয়ে নজর দেওয়া উচিৎ তা নিয়ে স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলা হবে বলে আলিপুরদুয়ার জেলা প্রশাসন সূত্রের খবর। সরকারের এই উদ্যোগকে কুর্নিশ জানিয়েছে নানা মহল। আগামী দিনে গারুচিরা পর্যটন মানচিত্রে ফের মাথা তুলে দাঁড়াবে কিনা সেটাই এখন দেখার।