রাজ্য সরকারি কর্মী
রাজ্য সরকারি কর্মী (ফাইল ছবি)

পুরুলিয়াঃ  রাজ্য সরকারি কর্মীদের ছুটির তালিকাতে যুক্ত হল আরও একটা দিন। পণ্ডিত রঘুনাথ মুর্মুর জন্মদিনেও এবার ছুটি ঘোষণা। পন্ডিতকে সম্মান জানাতেই ছুটি ঘোষণা করলেন তৃণমূলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মঞ্চ থেকে এহেন প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত ঘোষণা করেন তিনি।

উল্লেখ্য, ১৯০৫ সালের ৫ মে জন্মেছিলেন পণ্ডিত রঘুনাথ মুর্মু। সাঁওতালিভাষাকে লিপিবদ্ধ করার জন্য অলচিকি লিপির প্রণয়ন করেছিলেন রঘুনাথ মুর্মু। আদিবাসী সমাজ, জঙ্গলমহল ও রাঢ়বঙ্গে তাঁর জনপ্রিয়তা রয়ছে। তাঁর রচিত সাহিত্যও অত্যন্ত জনপ্রিয় আদিবাসী মানুষের কাছে। আর তাঁকে সম্মান জানাতেই ছুটি ঘোষণার সিদ্ধান্ত বলে জানান তৃণমূলনেত্রী।

গত কয়েকদিন আগেই পঞ্চানন বর্মার জন্মদিনে সরকারি ছুটি ঘোষণা করা হয়। বাঁকুড়ার প্রশাসনিক সভা থেকে ঘোষণা করেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

তিনি বলেন, “ইতিমধ্যেই নেতাজি, বীরসা মুন্ডা, পঞ্চানন বর্মা-সহ একাধিক ব্যক্তিত্বের নামে বিশ্ববিদ্যালয় করেছি। মাসখানেক আগে একই ভাবে বিরসা মু্ন্ডার জন্মদিনে বাঁকুড়ার সভামঞ্চ থেকে রাজ্যে সরকারি ছুটি ঘোষণা করেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

তাঁর ঘোষণা অনুযায়ী, আগামী বছরের সরকারি ছুটির তালিকায় যুক্ত হবে ১৫ নভেম্বর বিরসা মুন্ডার জন্মদিন ৷ সাঁওতাল বিদ্রোহের নায়ক বিরসা মুন্ডার সম্মানেই এই উদ্যোগ বলে জানান মুখ্যমন্ত্রী। ফলে চলতি বছর রাজ্য সরকারি ছুটির তালিকায় যুক্ত হল তিনটি নতুন ছুটির দিন।

বিরসা মুন্ডার জন্মদিন, পঞ্চানন বর্মা এবং রঘুনাথ মুর্মুর জন্মদিনেও এবার থেকে ছুটি পাবেন রাজ্য সরকারি কর্মীরা। মুখ্যমন্ত্রীর ঘোষণায় খুশি রাজ্য সরকারি কর্মীরা।

উলেখ্য, রাজ্যের শাসক দল এবং প্রধান বিরোধী দল, দুপক্ষেরই টার্গেট ২০২১। বাংলা বিজয় সম্পূর্ণ করতে বিজেপির প্রথম নজর আদিবাসী ভোট ব্যাঙ্ক ৷ রাজ্যে জেলা সফরে এলেই দলিত, আদিবাসীদের ঘরে মধ্যাহ্নভোজ সারেন স্বরাষ্টমন্ত্রী অমিত শাহ ৷

একই ছবি ধরা পড়ে বিজেপির সর্ব ভারতীয় সভাপতি জে পি নাড্ডার বাংলা সফরেও। বিজেপির এই স্ট্যাটেজিকেই ব্যর্থ করে আদিবাসী দলিতদের মন জয় করতে কখনও বাঁকুড়া তো কখন পুরুলিয়াতে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী সরকারি ছুটি ঘোষণা করছেন বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।