স্টাফ রিপোর্টার,  কলকাতা: আগের বারের চেয়ে এ বার বেশি সংক্রামক করোনা ভাইরাস। আগের বারের চেয়ে এ বার শিশুদের করোনায় আক্রান্ত হওয়ার হার অনেক বেশি। এখনও পর্যন্ত ভারতের ৫.৮ শতাংশ শিশু করোনা আক্রান্ত হয়েছে। বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই তারা উপসর্গহীন। এদিকে তাদের ভ্যাকসিন প্রয়োগ হয়নি এখনও। এই পরিস্থিতিতে বাবা-মায়ের উদ্বেগ বাড়ছে তাঁদের ছোট্ট সন্তানদের নিয়ে ৷ তাদের সেই উদ্বেগ দূর করতে কোভিড প্রটোকল জারি করেছে রাজ্য স্বাস্থ্য দফতর।

আরও পড়ুন: BREAKING : অতি সংক্রমণ রুখতে কড়া লকডাউনের পরামর্শ দিল আইসিএমআর

সূত্রের খবর, চিকিৎসক অপূর্ব ঘোষের তত্ত্ববধানে একটি কমিটি এই বিশেষ প্রোটোকল তৈরি করেছে। ওই কমিটিতে ডা. দিব্যেন্দু রায়চৌধুরী, ডা. কৌস্তব চৌধুরী, ডা. মিহির সরকার এবং ডা. প্রভাসপ্রসূন গিরি রয়েছেন৷ সেখানে বলা হয়েছে ৮ বছরের কম বয়সী কারোর হালকা জ্বরের সঙ্গে গলা ব্যথা, কফ, নাক বন্ধ হওয়ার মতো উপসর্গ ও পেট খারাপ, বমি হলে ও স্বাদ গন্ধ চলে গেলে  পর্যাপ্ত জল ও ওআরএস খাওয়াতে হবে। ভিটামিন সি, ডি ও জিঙ্ক দেওয়ার যেতে পারে। জ্বর থাকলে ১০ থেকে ১৫ মিলিগ্রামের প্যারাসিটামল দেওয়া যেতে পারে।

আরও পড়ুন: “যজ্ঞ চিকিৎসা করলে ভারতকে ছুঁতে পারবে না করোনার তৃতীয় ঢেউ”, মন্ত্রীর মন্তব্যে শোরগোল

তবে যদি কোনও শিশুর চারদিনের বেশি সময় ধরে জ্বর থাকে,সঙ্গে শ্বাসকষ্ট এবং অক্সিজেনের মাত্রা ৯৪ শতাংশের নীচে নেমে গেলে মাঝারি উপসর্গ বলে গণ্য করা হবে। অন্যদিকে নিউমোনিয়া সহ অক্সিজেনের মাত্রা ৯০ শতাংশের নীচে নেমে গেলে সেই শিশুকে গুরুতর অসুস্থ হিসাবে ধরে নিতে হবে।

আরও পড়ুন: অব্যবস্থার অভিযোগ সরিয়ে এই হাসপাতালে বসছে ৩০০০ লিটারের অক্সিজেন ট্যাঙ্ক

প্রোটোকলে বলা হয়েছে, ইউরিন কমে গেলে, জ্বর ফিরে ফিরে এলে, বাচ্চার খাওয়া কমে গেলে, বাচ্চার বারবার ক্লান্ত হয়ে পড়লে  এসব ক্ষেত্রে কোভিড টেস্ট করাতে হবে। সেক্ষেত্রে দেরি না করে সঙ্গে সঙ্গে হাসপাতালে ভর্তির পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.