নয়াদিল্লি: ভারতে করোনা যেমন ভাবে বাড়ছে সারা বিশ্বেও চিত্রটা কম বেশি একই। গত দু’মাস ধরে বিশ্বজুড়ে করোনার নয়া সংক্রামিতের সংখ্যা প্রায় দ্বিগুণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। শুক্রবার এ বিষয়ে রীতিমতো সতর্কবার্তা দিয়েছে ওয়ার্ল্ড হেলথ অর্গানাইজেশন বা হু।

হু প্রধান টেড্রস অ্যাধনম গেব্রিয়েসাস শুক্রবার জানিয়েছেন, “বিশ্বজুড়ে উদ্বেগজনক ভাবে কোভিড -১৯ সংক্রমণ ও মৃত্যুর হার বাড়ছে।” তিনি বলেন, “এই মহামারী সময়ে আমরা সংক্রমণের সর্বোচ্চ জায়গার পৌঁছেছি। কিছু দেশ যারা আগে কোভিডের সংক্রমণ কিছুটা এড়াতে সক্ষম হয়েছিল, সেই জায়গাগুলিতেও এখন সংক্রমণের তীব্র বৃদ্ধি পাচ্ছে।”

হু বলছে কমবেশি বিশ্বের একাধিক দেশে সংক্রমণ কমেই বেড়ে চলেছে। ব্রাজিল, ভারত, পোল্যান্ড সহ একাধিক দেশে বিরাট সংখ্যক মানুষ করোনা আক্রান্ত হচ্ছেন। গত সপ্তাহের তুলনায় সারা বিশ্বে এসপ্তাহে সংক্রমণ বেড়েছে ১১ শতাংশ।

কিছু জায়গায় করোনার নয়া স্ট্রেনের জন্য সংক্রমণ বাড়ছে আবার কোথাও কর্তৃপক্ষ বাঁধন আলগা করতেই লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে করোনা সংক্রমণ। একদিকে যখন বিশ্ববাসী ভ্যাকসিন প্রায় পেয়ে যাওয়ার মুখে ঠিক তখনই এই সংক্রমণ বাড়ছে মারাত্মক হারে।

অন্যদিকে শনিবারের রিপোর্টও বলছে ফের ভারতে সর্বোচ্চ সংক্রমণ। দেশে সুনামির মত আছড়ে পড়েছে করোনার দ্বিতীয় ঢেউ। রিপোর্ট বলছে গত ২৪ ঘন্টায় করোনা ভাইরাস থাবা বসিয়েছে ২ লক্ষ ৩৪ হাজার ৬৯২ জনের শরীরে। এখনও পর্যন্ত মোট আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১ কোটি ৪৫ লক্ষ ২৬ হাজার ৬০৯ জন। কোরোনার বলি হয়েছে ১ হাজার ৩৪১ জন। যা শুক্রবারের তুলনায় বেশ খানিকটা বেশি।এখনও পর্যন্ত ১ লক্ষ ৭৫ হাজার ৬৫০জন মানুষ করোনার বলি হয়েছে।

সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে রবিবার লকডাউন ঘোষণা করা হয়েছে উত্তরপ্রদেশে। প্রথমবার মাস্ক ছাড়া ধরা পড়লে জরিমানা দিতে হবে ১০০০ টাকা এবং দ্বিতীয়বার মাস্ক ছাড়া ধরা পড়লেই এই অঙ্কটা বেড়ে দাঁড়াবে ১০ হাজার টাকা।শুধুমাত্র জরুরি পরিষেবা ছাড়া যাবতীয় পরিষেবা বন্ধ থাকবে।মহারাষ্ট্রে ১৫ ই এপ্রিল থেকে কারফিউ ঘোষণা করা হয়েছে।দিল্লিতে সপ্তাহান্তে কারফিউ জারি করেছেন। শনি ও রবিবার রাত ১০ থেকে সকাল ৬টা পর্যন্ত জারি থাকবে কারফিউ । পাশাপাশি, বন্ধ করে দেওয়া হবে স্পা, জিম, শপিং মল।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.