দেবযানী সরকার, কলকাতা:   ‘দাদাগিরি’? সে তো টেলিভিশনের পরদায়! আপাতত সে অনুষ্ঠানের নতুন কোনও পর্ব আসার খবরও নেই৷ কিন্তু এবার দীপাবলি দেখবে নতুন ‘দাদাগিরি’র সৌজন্যে অবশ্য ‘দাদা’ নয়, বাজিবাজার৷ আগামী ৬ নভেম্বর শহরে বসতে চলেছে বাজিবাজার৷ আর সেখানে এবারের চমক আলোর ‘দাদাগিরি’ বাজি৷ তবে শব্দের হয়ে ব্যাট ধরতে তৈরি ‘মারধামাকা’৷ বাজিবিক্রেতারা জানাচ্ছেন এবার দীপাবলী জমবে এদের টক্করেই৷

৯০ ও ১২৫ ডেসিবেলের দড়ি টানাটানির মধ্যে দিয়েই শহরে শুরু হতে চলেছে বাজিবাজার৷ ময়দান ছাড়াও আরও চার জায়গায় বসবে বাজিবাজার৷  রাজ্য দূষণ নিয়ন্ত্রণ পর্ষদ যখন শব্দবাজির মাত্রা ৯০ ডেসিবেলেই রাখতে কঠোর, তখন জাতীয় পরিবেশ আদালতের ১২৫ ডেসিবেলের ছাড়পত্রকে সামনে রেখে আওয়াজ বাড়াচ্ছেন বাজি বিক্রেতারা৷ এই জল আদালত পর্যন্ত গড়াতে পারে বলেও জানিয়েছেন সারা বাংলা আতসবাজি উন্নয়ন সমিতির চেয়ারম্যান বাবলা রায়৷ তবে আদালতের পরবর্তী রায় যাই হোক না কেন দীপাবলীর রোশনাই যাতে কোনওভাবেই ফিকে হবে না বলে জানিয়েছেন তিনি৷

নির্ধারিত সময়সূচি মেনে আগামী ছয় নভেম্বর ময়দান, টালা পার্ক, বেহালা ব্লাইন্ড স্কুলের মাঠ, যাদবপুর কিশোরভারতী স্টেডিয়াম ও উত্তর ২৪ পরগনার হাবড়ার খেলার মাঠে শুরু হচ্ছে বাজি বাজার৷ এবছর প্রথম হাবড়ার খেলার মাঠে বাজি বাজারের ছাড়পত্র মিলেছে৷ বাবলা রায় জানিয়েছেন, অনান্য বছরের মতো হরেকরকমের চোখ ধাঁধানো বাজির পসরা ছাড়াও এবছরের বড় আকর্ষণ ‘দাদাগিরি’ ও ‘মারধামাকা’৷ এর মধ্যে ‘দাদাগিরি’ দেখাবে তার আলোর খেলা আর ‘মারধামাকা’ মাত করবে শব্দে৷ ৯০-১১০ ডেসিবেলের মধ্যে তৈরি হয়েছে এই শব্দ বাজি৷ প্রতিটি বাজি বাজারেই থাকছে কড়া নিরাপত্তা বেষ্টনি৷

শব্দের মাত্রা নিয়ে রাজা-উজির যতই যুদ্ধ হোক না কেন শহরবাসীর অবশ্য তাতে কিছু এসে যায় না৷ সে কথা মাথায় রেখেই নতুন চমক নিয়ে হাজির হচ্ছে বাজিবাজার৷ দীপাবলীর আকাশে আলোর ‘দাদাগিরি’ নাকি পাড়ার মোড়ে শব্দের ‘মারধামাকা’- কে বেশি মাত করে এখন তারই অপেক্ষা৷

পচামড়াজাত পণ্যের ফ্যাশনের দুনিয়ায় উজ্জ্বল তাঁর নাম, মুখোমুখি দশভূজা তাসলিমা মিজি।