নয়াদিল্লি : নতুন নাটক, ভোররাতে সুপ্রিম কোর্টে যাচ্ছেন দোষীদের পক্ষের আইনজীবী। তারপরেই ঠিক হবে চার দোষীদের ফাঁসি আজ ভোরেই হবে নাকি আবার দিন পিছোবে। চার জনের ফাঁসি, একটা ভয়ঙ্কর কাণ্ড, এক মায়ের দীর্ঘ লড়াই। দেশবাসী ভেবেছিল বৃহস্পতিবার মাঝরাতে শেষ হাসি হাসলেন মা।

কিন্তু নাটক হয়তো একেই বলে। লড়ে যাচ্ছেন বটে দোষী পক্ষের উকিল। হারার আগে তিনি হার মানতে রাজি নন। একটা নৃশংস হত্যাকাণ্ডের পক্ষে লড়ছেন, যেখানে সারা দেশ বিরুদ্ধে। রাষ্ট্রপতি নাকচ করে দিয়েছেন সমস্ত আর্জি, সুপ্রিম কোর্ট আর্জি ফিরিয়ে দিয়েছে সেখান থেকে এক চালে দিন পিছিয়ে ২০ মার্চ। ভোরে ফাঁসি হবার কথা। তার আড়াই ঘণ্টা আগেও নাটক জিইয়ে রাখলেন বিপক্ষের আইনজীবী। আবারও দ্বারস্থ সুপ্রিম কোর্টের।

তবে এবারে তার হার হবেই বলে মনে করছেন নির্ভয়ার মা। কিন্তু আশঙ্কা থেকেই যাচ্ছে। আরও একবার যদি দিন বদল হয়। আর দিন বদল মানেই আবারও কোনও চাল চালতেই পারেন আইনজীবী সেটা দেশবাসীর কাছে স্পষ্ট।

অনেক দোলাচল, একের পর এক তারিখ , পাল্টা আবেদন জানিয়ে সময় পিছিয়েছে নির্ভয়া কাণ্ডে অভিযুক্তদের ফাঁসি। শেষ চেষ্টা করছে ধর্ষকদের পক্ষের উকিল। তুরুপের শেষ তাস কি সুপ্রিম কোর্টে ফেলবেন ওই আইনজীবী সেটাই দেখার। ফাঁসি অবশ্যই বিশাল গুরুত্বপূর্ণ বিষয় কিন্তু শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত এত নাটক নজিরবিহীন বলা যেতেই পারে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।