নয়াদিল্লি: ভারতের কৌশলে কোণঠাসা পাকিস্তান৷ পাক অধিকৃত কাশ্মীরে প্রবেশ করে এয়ার স্ট্রাইক করেছে ভারতীয় বিমান বাহিনী৷ পালটা জবাব সেবাবে দানা বাঁধেনি৷ তাই বারতের বিরুদ্ধে প্রত্যাঘাচে মরিয়া ইসলামাবাদ৷ আঘাত আসতে পারে জলপথে৷ তাই ভারতীয় নৌসেনা ও উপকূলরক্ষী বাহিনীকে সতর্ক করা হয়েছে৷

দেশের পশ্চিম প্রান্তে অবস্থিত মহারাষ্ট্র ও গুজরাট উপকূল৷ পাকিস্তান থেকে যা খুব বেশি দেরি নয়৷ ফলে কড়া সতর্কতা জারি করা হয়েছে মহারাষ্ট্র ও গুজরাট উপকূলে৷ এক্ষেত্রে ভারত পূর্ব অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগাতে চাইছে৷ এগারো বছর আগে মুম্বই হামলার সময় পাকিস্তানের করাচি থেকেই ভারতীয় উপকূলে এসেছিল জঙ্গি আসমল কাসভ ও তাঁর সঙ্গীরা। মাছ ধরার ট্রেলারে করে আসায় সেই সময় সন্দেহের নজর এড়িয়ে যায় কাসভরা৷

আরও পড়ুন: পুরো দেশ পাইলটের পাশে আছে: নরেন্দ্র মোদী

এবার তাই আঁটোসাঁটো করা হচ্ছে ভারতের পশ্চিম প্রান্তের উপকূলের নিরাপত্তা ব্যবস্থা৷ নির্দেশ পেয়ে ইতিমধ্যেই উপকূলের সুরক্ষা বাড়ানো হয়েছে৷ মাছধরার ট্রলারগুলিতে তল্লাশি চলছে৷ প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞদের ধারণা মরিয়া পাকিস্তান প্রয়োজনে সাবমেরিনে করেও হামলা চালাতে পারে ভারতের বিরুদ্ধে৷

আরও পড়ুন: তেজস, সুখোই থাকতে এফ১৬-কে রুখতে মিগ-২১ কেন

পুলওয়ামা ঘটনার পর থেকেই ভারত দাবি করতে থাকে ওই হামলার পেছনে রয়েছে পাক মদতপুষ্ট জঙ্গি সংগঠন জৈশ-ই-মহম্মদের হাত৷ আত্মগাতী জঙ্গি হানার পর প্রকাশিত অডিও বার্তাতেও তা স্পষ্ট৷ কিন্তু পাকিস্তান তা অস্বীকার করে৷ কৌশলে বিশ্ব আঙিনায় সন্ত্রাসবাদের মদতদাতা প্রতিবেশীকে একঘরে করার কৌশল নেয় নয়াদিল্লি৷ সঙ্গে শহিদ ৪০ জন জওয়ানের প্রাণের বদলা নিতে ‘খুলে আম’ দেওয়া হয় নিরাপত্তা বাহিনী৷

এই পরিস্থিতিতে ঘটে এয়ারস্ট্রাইক৷ পালটা ভারতীয় সীমানায় ঢুকে হামলা করে পাক এফ-১৬ বিমান৷ অবশ্য সেটিকেও গুলি করে নামায় ভারতীয় বায়ু সেনার সদস্যরা৷ এরপর ভারতীয় যুদ্ধ বিমান চালককে গ্রেফতার করে পাক বাহিনী৷ যার তীব্র বিরোধীতায় নয়াদিল্লি৷ ফলে প্রত্যাঘাত তেমন দানা বাঁধেনি৷ মুখ পুড়ছে ইসলামাবাদের৷ এই পরিস্থিতিতেই তাই তাদের নজরে ভারতের পশ্চিম প্রন্তের উপকূলীয় অঞ্চল৷