কলকাতা : স্মার্টফোনের মাধ্যমে বন্ধুত্ব গড়তে আগ্রহী তরুণ প্রজন্মের জন্য ভারতে এক প্রাণবন্ত, ইন্টারেক্টিভ এবং ব্যবহার-বান্ধব ডেটিং অ্যাপ্লিকেশন – হাইহাই (HiHi ) শুরু করলো মেওটিডা প্রাইভেট লিমিটেড। গুগল প্লে স্টোরে ২০২০ সালের আগস্টে চালু হয় এই অ্যাপ্লিকেশনটি।

সম ও মুক্তচিন্তার তরুণ প্রজন্মের মধ্যে মসৃণ কথোপকথনের সুবিধার্থে নিবেদিত এই হাই হাই যেখানে তারা যোগাযোগ করতে পারে, বন্ধুত্ত্ব করতে পারে, নানারকম আলোচনা করতে পারবে,চিন্তাভাবনা ও মতামত এর আদানপ্রদান ও করতে পারবে এবং প্রয়োজনে ডেটিং করতে পারবেন।

প্লাটফর্মটির উদ্বোধনের বিষয়ে কথা বলতে গিয়ে হাই হাই (মেওটিডা প্রাইভেট লিমিটেড) এর সিইও শ্রী জিস্তেশ বিশ্ট বলেন, “হাই হাই এর মাধ্যমে বহু উদ্যমী ও বহুমুখী প্রতিভার তরুণ ব্যবহারকারীতে সমৃদ্ধ একটিসম্প্রদায় গড়ে তুলতে আমরা অত্যন্ত আনন্দিত, ব্যবহারকারীরা একে অপরের সাথে কথোপকথনে জড়িত এবংপারস্পরিক যোগাযোগ অব্যাহত রেখেছেন।

আমাদের কার্যক্রম শুরু করার সময় থেকেই লক্ষ্য ছিল এমন একটি প্ল্যাটফর্ম তৈরি করার যেখানে এই সমমনোভাবাপন্ন ব্যক্তিরা নিরাপদ, সুরক্ষিত এবং বিশৃঙ্খলা মুক্ত প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে নিজেদের মধ্যে যোগাযোগ করতে ও বন্ধুত্ব করার জন্য সমমনা লোকদের খুঁজে পেতে পারেন । এই কমিউনিটির সম্প্রসারণ অব্যাহত রেখে আমরা ভারতের অনলাইন ডেটিং মার্কেটের শীর্ষস্থানীয় সংস্থা হওয়ার আশা রাখছি।”

অ্যাপ্লিকেশনটির অনন্য দিক হল এর উন্নত অ্যালগরিদম যা বিশদে রেজিস্ট্রেশনের মাধ্যমে অথেন্টিক প্রোফাইল এর সদস্য নিশ্চিত করে এবং নিখুঁতভাবে সঙ্গতিপূর্ণ বন্দু খুঁজে পাওয়া সুনিশ্চিত করে। এটিতে একটি সহজ সরল ইউজার ইন্টারফেস রয়েছে যা তাদের প্রোফাইল সেট আপ করতে এবং তাদের পছন্দ অনুসারে এটিকে আরও কাস্টমাইজ করতে সাহায্য করে। উপরন্তু , এটি ব্যবহারকারীদের কেবলমাত্র অন্য কোনও ব্যবহারকারী দ্বারা ‘বামে’ সোয়াইপ করা লোকদের সাথে যোগাযোগের অনুমতি দেয় যার ফলে এটি কথোপকথনের নিরাপদ জায়গা করে তোলে।

অনলাইন মার্কেট রিসার্চার স্ট্যাটিস্টার প্রতিবেদন অনুযায়ী , ২০২৩ সালের মধ্যে ভারতীয় অনলাইন ডেটিং মার্কেটে ব্যবহারকারীর সংখ্যা অনুমান করা হচ্ছে ৩.২% হয়ে উঠবে , ভারতীয় সমাজ গত কয়েক বছরে সাংস্কৃতিকভাবে বিকশিত হয়েছে, বিশেষত প্রযুক্তির ব্যাপক ব্যবহার বৃদ্ধি পেয়েছে বিশেষত স্মার্টফোন এর ব্যবহার । হাইহাই-এর লক্ষ্য ব্যবহারকারীদের সংযুক্ত রেখে তাদের প্রয়োজন অনুযায়ী অভিযোজনের মাধ্যমে সদস্য সংখ্যা বৃদ্ধি করা।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।