স্টাফ রিপোর্টার, দিঘা: ঘোর বর্ষা৷ তবুও বাজারে মিলছিল না ভালো ইলিশ৷ আর যদি বা পাওয়া যাচ্ছিল তার দাম মধ্যবিত্তের নাগালের বাইরে৷ খাদ্য রসিক বাঙালির মুখ বেজার৷ তবে এবার স্বস্তির খবর৷ নিম্নচাপের দুর্যোগ থামতেই মঙ্গলবাই বিপুল পরিমাণ ইলিশ উঠল দিঘায়। ১০০ টনেরও বেশি ইলিশ ধরা পড়ায় খুশি মৎস্যজীবী, মৎস্য ব্যবসায়ী থেকে শুরু করে ভোজন পিপাসুরা৷

মৎস্যজীবীদের সংগঠন দিঘা ফিসারমেন এন্ড ফিশ ট্রেডার্স এসোসিয়েশনের তরফে নবকুমার পয়ড়ার দাবি, ‘‘আগামী কয়েকদিন আরও বেশি পরিমাণ ইলিশ উঠবে সমুদ্র থেকে।’’ রেকর্ড সংখ্যক ইলিশ ওঠায় মাছের রাজা ইলিশের আকাল মিটবে বলে আশা। দামও আরও সস্তা হওয়ারই সম্ভাবনা ৷ যা মধ্যবিত্ত ও নিম্ন-মধ্যবিত্তদের জন্য অবশ্যই সুখবর ৷ এদিন দিঘা মোহনার ৪০০-৫০০ গ্রাম পাইকারি মাছের দাম ছিল ৩০০-৩৫০ টাকা৷ আর তার বেশি ওজন হলে তার দাম ৫০০-৫৫০-র মধ্যে।

জুলাই মাসের মাঝামাঝি সময়ে থেকে লাগাতার নিম্নচাপ তৈরি হওয়ায় সঙ্কটে পড়েছিলেন মৎস্যজীবী, মৎস্য ব্যবসায়ীরা। মাছের আকাল তৈরি হয়েছিল সর্বত্র। দিঘা ফিসারমেন এন্ড ফিশ ট্রেডার্স এসোসিয়েশনের পক্ষে পরিচালক নবকুমার পয়ড়া বলেন,” ইলিশ নাগালে থাকলেও আমরা ধরতে পারিনি।নিম্নচাপের দুর্যোগের কারণে জুনের দ্বিতীয় সপ্তাহ থেকে মৎস্য শিকার বন্ধ ছিল। কয়েকদিন আগে আবহাওয়া অনুকূলে হতেই সমুদ্রে পাড়ি দিয়েছিলেন মৎস্যজীবীরা।পরিবেশ এখন ইলিশ উপযোগী।’’

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।