মুম্বই: করণ জোহারের প্রোডাকশন হাউস ধর্মা প্রডাকশন আজ সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি বিবৃত দিয়ে জানালেন তারা তাদের পরবর্তী ছবি দোস্তানা ২ এর জন্যে আবার নতুন করে কাস্টিং করতে চলেছেন। ছবি থেকে বাদ পরেছেন কার্তিক আরিয়ান। কারন হিসাবে কার্তিকের আন প্রফেশনল ব্যবহার এবং ক্রিয়েটিভ ডিফারেন্সকেই তুলে ধরেছেন ধর্মা প্রডাকশন। ভবিষ্যতে কার্তিকের সঙ্গে কখনও কাজ করবেন না বলেও জানিয়েছে করণ। কার্তিক এই বিষয়ে এখনও চুপ থাকেলও তার ফ্যানেরা সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রতিবাদের ঝড় তুলে আবারও করণের বিরুদ্ধে নেপটিজমের তকমা লাগিয়েছেন।

ধর্মা প্রডাকশন এদিন বিবৃতিতে স্পষ্ট লিখেছেন, তারা দোস্তানা ২ আবার নতুন করে কাস্টিং করবে। এ বিষয়ে অফিসিয়াল ঘোষণা শিগ্রহী করা হবে। ছবির পরিচালক কলিন ডি কুনহা।

করণ ২০১৯ এই দোস্তানা ২ এর ঘোষণা করে দিয়েছিলেন। কিন্তু করোনা পরিস্থিতির কারনে শুটিং পিছিয়ে গেছিল। কার্তিক আরিয়ান ও জাহ্নবী কাপুর ২০ দিন শুটিংও করেছেন ছবির জন্যে। ধর্মা প্রডাকশন ২০০৮ এর ‘দোস্তানা’ র সিকুয়াল ‘দোস্তানা ২’ থেকে কার্তিককে বাতিল করেছেন তাই নয়, ভবিষ্যতে তার সঙ্গে আর কখনও কাজ করবেন না বলেও জানিয়েছেন।

এই খবর প্রকাশ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই নেটিজেনরা কার্তিকের পাশে দাঁড়িয়েছেন এবং তারা মনে করছেন কার্তিককে এই ছবি থেকে বের করে দেওয়ার কারন কার্তিক এই ইন্ডাস্ট্রির বাইরে থেকে আসা একজন অভিনেতা। অনেকে আবার কার্তিকের এই পরিস্থিতিকে প্রয়াত অভিনেতা সুশান্ত সিং রাজপুতের সঙ্গে তুলনা করেছেন। যিনি বলিউডের এই নেপটিজম এবং গ্রুপিজমের স্বীকার হয়েছিলেন। কার্তিকের ভক্তরা সোশ্যাল মিডিয়ায় মৌখিক আক্রমণও করেছেন করণের বিরুদ্ধে।

কঙ্গনা রানাউতের একটি ফ্যান পেজ থেকে টুইট করা হয়েছে, ‘ধর্মা প্রডাকশন এবং করণ বহু বছর থেকেই এটা করে আসছে। এটা তাদের কাজের ধরন। অনুষ্কা শর্মা, রনভীর সিং এবং সুশান্ত সিং রাজপুত কে তার সঙ্গে কাজ করার জন্যে অনেক আত্মত্যাগ দিতে হয়েছে। আর এখন কার্তিকের পালা। কিন্তু করণ যখনই কঙ্গনার সঙ্গে গণ্ডগোল করেছেন, কঙ্গনা তাকে ছিঁড়ে ফেলেছেন।

দোস্তানা ২ থেকে বাদ পড়লেও কার্তিককে দেখা যাবে ‘ভুল ভুলাইয়া ২’ তে। কিয়ারা আডভানি, তাব্বু ও রয়েছেন এই ছবিতে। এই বছর নভেম্বরে মুক্তি পাওয়ার কথা ছবিটি।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.