বেলফাস্ট: শনিবাসরীয় বেলফাস্টে টানা দ্বিতীয়বার ইউরোর যোগ্যতা অর্জন আঁধারে রয়ে যেতে পারত ডাচদের জন্য। যদি না প্রথমার্ধে নর্দার্ন আয়ারল্যান্ড স্ট্রাইকার স্টিভেন ডেভিস পেনাল্টি মিস করতেন। শেষমেষ ডেভিসের পেনাল্টি মিসের কারণে নর্দার্ন আয়ারল্যান্ডের বিরুদ্ধে গোলশূন্য শেষ করেও ২০২০ ইউরোর মূলপর্বের টিকিট নিশ্চিত করল ১৯৮৮ চ্যাম্পিয়ন নেদারল্যান্ড।

২০১৬ ইউরো এবং তারপর ২০১৮ বিশ্বকাপে যোগ্যতা অর্জনে ব্যর্থ হওয়ার পর রোনাল্ড কোম্যান এবং তাঁর ইয়ং ব্রিগেডের কাছে ২০২০ ইউরো মূলপর্ব ছিল একটা বড়সড় চ্যালেঞ্জ। স্বাভাবিকভাবেই ভ্যান ডিক, উইনালডমদের মত ফুটবলারদের নিয়ে গঠিত তরুণ ব্রিগেডকে মূলপর্বে তুলতে পেরে উচ্ছ্বসিত কোম্যান। আক্রমন প্রতি-আক্রমণে উপভোগ্য হয়ে ওঠে এদিনের গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচ। যদিও পজেশন নিজেদের দখলে রেখে সারা ম্যাচে প্রতিপক্ষকে একটিও গোলে শট নিতে দেননি ডাচ ডিফেন্ডাররা। আয়ারল্যান্ডের জোশ ম্যাগেনিস এদিন প্রথম ইতিবাচক গোলের সুযোগ পেলেও তার হেড অল্পের জন্য লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়। উলটোদিকে বক্সের মধ্যে নেদারল্যান্ডের স্টিভেন বারঘুইসের একটি লুপ শট গোলরক্ষকের নাগাল এড়িয়ে ক্রসবারে প্রতিহত হয়।

আরও পড়ুন: ফেডেরারকে ফের মাটি ধরালেন ‘বিস্ময় বালক’ সিৎসিপাস

৩০ মিনিটে বিতর্কিত পেনাল্টি পেলেও তা কাজে লাগাতে ব্যর্থ হয় নর্দার্ন আয়ারল্যান্ড। স্টিভেন ডেভিসের স্পটকিক কয়েক যোজন বার উঁচিয়ে চলে যায় মাঠের বাইরে। দ্বিতীয়ার্ধেও দু’দল বিক্ষিপ্ত কিছু সুযোগ তৈরি করলেও ডেডলক খুলতে পারেনি কোনও দলই। ফলে গোলশূন্য ড্র করেও গ্রুপ-‘সি’ থেকে ইউরোর মূলপর্ব নিশ্চিত করে ডাচরা। অন্যদিকে ড্র করে সরাসরি ইউরোর মূলপর্বের সুযোগ হাতছাড়া হলেও প্লে-অফ থেকে যোগ্যতা অর্জনের আশা এখনও রয়েছে নর্দার্ন আয়ারল্যান্ডের জন্য।

আরও পড়ুন: মাইলস্টোন ম্যাচে প্রতিপক্ষকে ৭ গোল, ইউরোর মূলপর্বে ইংল্যান্ড

গ্রুপ-‘সি’র অন্য ম্যাচে বেলারুশকে ৪-০ গোলে হারিয়ে এক ম্যাচ বাকি থাকতে ইউরোর যোগ্যতা অর্জন করল জার্মানি। জার্মানির হয়ে জোড়া গোল টনি ক্রুসের। বাকি গোলদু’টি করেন ম্যাথিয়াস গিন্টার, লিওন গোরেৎজকা। গ্রুপ-‘ই’র ম্যাচে পিছিয়ে পড়েও ৩-১ ব্যবধানে জয় তুলে নিয়ে ইউরোর টিকিট নিশ্চিত করল বিশ্বকাপের রানার্স ক্রোয়েশিয়াও। স্লোভাকিয়ার বিরুদ্ধে ৩২ মিনিটে এদিন পিছিয়ে পড়ে ক্রোটরা। কিন্তু দ্বিতীয়ার্ধে গোল করে ক্রোয়েশিয়ার তিন পয়েন্ট নিশ্চিত করেন নিকোলা ভ্লাসিচ, ব্রুনো পেৎকোভিচ, এবং ইভান পেরিসিচ।