কলকাতা: নেতাজি সুভাষচন্দ্রের কন্যা অনিতা বসু পাফ বৃহস্পতিবার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর কাছে আর্জি জানিয়েছেন, জাপানের রেনকোজি মন্দিরে রাখা নেতাজির চিতা ভস্মের যেন ডিএনএ পরীক্ষা করা হয় ৷ তা করলে সত্য সামনে আসবে এবং তাঁর মৃত্যু ঘিরে বিতর্কের অবসান ঘটবে বলে আশা প্রকাশ করেন৷ কারণ অভিযোগ পূর্ববর্তী সরকার তা করার ব্যাপারে এই বিষয়টিকে গুরুত্ব না দিয়ে অগ্রাহ্য করেছে৷

মোদী এই রহস্য সমাধানের চেষ্টার কথা বলে অনিতা বসু পাফ জানান, যদি না আলাদা কোনও প্রমাণ মেলে , ১৯৪৫ সালের ১৮ অগস্ট এক বিমান দুর্ঘটনায় তাঁর বাবার মৃত্যু হয়েছে বলে তিনি মনে করেন৷ তিনি বলেন, এজন্য তিনি ব্যক্তিগত ভাবে প্রধানমন্ত্রী মোদী এবং জাপান কর্তৃপক্ষের সঙ্গে দেখা করবেন যাতে ডিএনএ পরীক্ষার জন্য রোনকোজির মন্দির থেকে চিতা ভস্ম আনা যায় ৷

অন্য কোনও প্রমাণ না মেলায় তিনি বিমান দুঘর্টনায় মৃত্যুর কথা বিশ্বাস করলেও বহু মানুষই তা বিশ্বাস করেন না৷ আর তাই তিনি এই মৃত্যু রহস্যের অবসান চাইছেন৷ সেজন্য এই রহস্যের সবেচেয়ে ভাল সমাধান হল ডিএনএ টেস্ট করানো৷ জার্মানি থেকে ফোনে অনিতা সংসাদ সংস্থাকে এমনটাই জানিয়েছেন৷

স্বাধীনতা পর নেতাজির মৃত্যু নিয়ে তিনটি তদন্ত কমিশন হয়েছে ৷ এরমধ্যে শাহ নওয়াজ কমিশন (১৯৫৬) এবং খোসলা কমিশন ( ১৯৭০) হয় কংগ্রেস জমানায় এবং মুখার্জি কমিশন (১৯৯৯) তা বিজেপি নেতৃত্বাধীন এনডিএ সরকারের আমলে হয়েছে৷ ২০১৫ সালে রাজ্য সরকারের স্বরাষ্ট্র দফতরে হাতে থাকা ৬৪টি ফাইল প্রকাশ্যে আনে এবং ২০১৬ সালে নরেন্দ্র মোদী সরকার ১০০টি ফাইল প্রকাশ্যে আনে৷