নয়াদিল্লি: ভারত বিরোধিতা করে দলেই কোণঠাসা নেপালের প্রধানমন্ত্রী কেপি শর্মা ওলি। দলের অন্দরেই ক্রমেই তাঁর পদত্যাগের দাবি জোরালো হচ্ছে। নেপাল কমিউনিস্ট পার্টির একাধিক বর্ষীয়ান নেতা ওলির পদত্যাগের দাবিতে সুর চড়িয়েছেন। সব মিলিয়ে চিনের কথা শুনে ভারত-বিরোধিতা করতে গিয়ে এখন ল্যাজেগোবরে দশা ওলির।

হঠাৎ করেই ভারতের বিরুদ্ধে সুর চড়াতে শুরু করে নেপাল। এমনকী উত্তরাখণ্ডের তিনটি এলাকা তাদের বলে দাবি করে নতুন মানচিত্র সংসদে পাস করিয়ে নিয়েছেন নেপালের প্রধানমন্ত্রী কে পি শর্মা ওলি। তবে ওলির এই তৎপরতায় বেজায় চটেছে তাঁরই দল নেপাল কমিউনিস্ট পার্টি।

তলে-তলে চিনের সঙ্গে যোগসাজশ করেই যে ওলির এই উদ্যোগ ক্রমেই তা স্পষ্ট হয়ে যায় তাঁর দলের নেতাদের কাছেই। ওলির এই ভারত-বিরোধিতায় একেবারেই সায় নেই তাঁর দলের একটা বড় অংশের। সেই কারণেই ওলির পদত্যাগ দাবি করছেন তাঁর দলের নেতারা।

জানা গিয়েছে, শনিবারই প্রধানমন্ত্রী কেপি শর্মা ওলির ভাগ্য নির্ধারণের জন্য নেপালের ক্ষমতাসীন কমিউনিস্ট পার্টি ফের গুরুত্বপূর্ণ একটি বৈঠকে বসবে। সেই বৈঠকেই ভারত-বিরোধিতার খেসারত দিতে হতে পারে ওলিকে। তাঁকে হয়তো পদত্যাগ করতে বলা হবে।

ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক খারাপ করার জন্য শাসকদলের নেতারা এখন ক্রমাগত দোষারোপ করে চলেছেন ওলিকে। তাঁদের বক্তব্য, চিনের প্ররোচনায় পড়ে ভারতের বিরুদ্ধে ওলি যে মন্তব্যগুলি করেছেন তা সঠিক নয়। কূটনৈতিকস্তরেও এর বিরূপ প্রভাব পড়তে পারে বলে মনে করছে নেপাল কমিউনিস্ট পার্টি।

এদিকে, ওলিও ঘুঁটি সাজাতে ব্যস্ত। ভারতকে কাঠগড়ায় তোলার সবরকম চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন তিনি। দিল্লির চক্রান্তেই নাকি তাঁকে সরানোর চেষ্টা হচ্ছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।

এরই মধ্যে চিনও বন্ধুত্বের হাত বাড়িয়ে নিজেদের স্বরূপ চেনাতে শুরু করেছে নেপালকে। সম্প্রতি তিব্বত সীমান্তে নোপালের ৩৩ হেক্টর জমি দখল করে নিয়েছে চিন। এবিষয়টি নিয়ে নতুন করে অস্বস্তিতে পড়েছেন ওলি।

পপ্রশ্ন অনেক: চতুর্থ পর্ব

বর্ণ বৈষম্য নিয়ে যে প্রশ্ন, তার সমাধান কী শুধুই মাঝে মাঝে কিছু প্রতিবাদ