লখনউ: আবারও বাড়াবাড়ি নেপালের। ভারতবিরোধিতায় লাগাতার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে নেপালের কেপি শর্মা ওলির সরকার। এবার ভারত-নেপাল সীমান্তের নো ম্যানস ল্যান্ডেও রাস্তা তৈরির চেষ্টা নেপালের। খবর পাওয়ামাত্র তড়িঘড়ি পদক্ষেপ ভারতের। ভারতের আপত্তিতে আপাতত রাস্তা উত্তরপ্রদেশের সীমান্ত এলাকা পিলভিট চত্বরে তৈরির কাজ বন্ধ রেখেছে নেপাল।

চিনের উসকানিতে প্রথমেই ভারতের তিনটি এলাকা নিজেদের মানচিত্রে এনে ফেলেছে নেপালের কেপি শর্মা ওলির সরকার। যা নিয়ে বিতর্ক তুঙ্গে নেপালের শাসকদলের অন্দরেই। দলের সিংহভাগ নেতা ওলির এই পদক্ষেপে বজায় চটেছেন।

এমনকী ভারতের সঙ্গে নেপালের দীর্ঘদিনের মধুর সম্পর্কে চিড় ধরার জেরে ওলির পদত্যাগের দাবি জোরালো হচ্ছে নেপালে। গদি বাঁচাতে জাতীয়তাবাদী জিগির তোলা মরিয়া চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন ওলি। তবে তাতেও বিশেষ সুবিধা করতে পারছেন না তিনি। বরং দিনে দিনে নেপাল কমিউনিস্ট পার্টির অন্দরে ওলি বিরোধিতার সুর ক্রমেই চড়া হচ্ছে।

এদিকে, জানা গিয়েছে, ভারত-নেপাল সীমান্তে থাকা উত্তরপ্রদেশের পিলিভিটের হাজারা এলাকার নো ম্যানস ল্যান্ডে রাস্তা তৈরির চেষ্টা করছিল নেপাল। রবিবার এই খবর পেয়েই তৎপরতা নেন পিলিভিটের জেলাশাসক বৈভব শ্রীবাস্তব।

পুলিশকে সঙ্গে নিয়ে সীমান্তে থাকা নেপালের আধিকারিকদের সঙ্গে কথা বলেন তিনি। বেশ কিছুক্ষণ দু’পক্ষের মধ্যে আলোচনা চলে। নো ম্যানস ল্যান্ড এলাকায় নেপাল কোনওভাবেই এই রাস্তা তৈরি করতে পারে না।

সাফ জানানো হয় নেপালের আধিকারিকদের। শেষমেশ ভারতের তরফে প্রবল আপত্তির জেরে রাস্তা তৈরির কাজ বন্ধ রেখেছে নেপাল।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.