কাঠমাণ্ডু: ভারতের অঙ্গ রাজ্য ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রীর দাবি, অমিত শাহ বলেছিলে বিজেপির সরকার গড়বেন নেপালে। এই মন্তব্যের তীব্র প্রতিক্রিয়া জানাল নেপাল।নয়াদিল্লির নেপালি রাষ্ট্রদূত নিলাম্বের আচার্য টেলিফোনে ক্ষোভ জানান ভারতের বিদেশ মন্ত্রকের জয়েন্ট সেক্রেটারি (নেপাল ও ভুটান) অনির্বাণ বাগচির কাছে। কাঠমান্ডু পোস্ট দিচ্ছে এই খবর।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত ১৩ ফেব্রুয়ারি ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব দেব দাবি করেন, বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি থাকার সময় অমিত শাহ আগরতলায় এসে দলীয় আলোচনাসভায় বলেছিলেন, নেপাল ও শ্রীলংকায় বিজেপির নেতৃত্বে সরকার গড়া হবে। নেপালি রাষ্ট্রদূত ভারতীয় মুখ্যমন্ত্রীর এমন দাবির তীব্র বিরোধিতা করেছেন। বিপ্লব দেবের মন্তব্যের বিষয়ে ভারতের কাছ থেকে দ্রুত উত্তর আসা করেছেন। এমনই জানাচ্ছে কাঠমাণ্ডু পোস্ট। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ভারতের তরফে দুঃখ জানানো হয়।

নেপালের রাষ্ট্রদূত আরও জানান, ভারত গুরুত্ব দিয়ে পুরো বিষয়টি দেখছে। ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব দেবের মন্তব্যের উপর ‘নোট’ নিয়েছেন ভারতের বিদেশ মন্ত্রকের নেপাল ও ভুটান বিষয়ক জয়েন্ট সেক্রেটারি অনির্বাণ বাগচি। তিনি বিপ্লব দেবের মন্তব্যকে দুর্ভাগ্যজনক বলেছেন।

নেপালের রাষ্ট্রদূতের কথায় ভারতের বিদেশমন্ত্রকের ওই জয়েন্ট সেক্রেটারির বক্তব্য- অমিত শাহ কি এমন কথা বলতে পারেন বলে বিশ্বাস করেন আপনারা। ভারত এই বিষয়ে দ্রুত অবস্থান স্পষ্ট করবে।

ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর মন্তব্য নিয়ে নেপাল জুড়ে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা যাচ্ছে। সোশ্যাল সাইটে ক্ষোভ উগরে দিচ্ছেন নেপালবাসী। শুধু নেপাল নয়, ক্ষোভ আসতে শুরু করেছে শ্রীলংকা থেকেও। কারণ, বিপ্লব দেবের আরও দাবি ছিল, শ্রীলংকাতেও অমিত শাহের নেতৃত্বে বিজেপি সরকার গঠন করবে।

বিপ্লব দেবের দাবির তীব্র কটাক্ষ করেছেন ত্রিপুরার প্রাক্তন সিপিআইএম সাংসদ জীতেন্দ্র চৌধুরী। তিনি বলেছেন, এমন পদক্ষেপ হলো মু়খ্যমন্ত্রীর বলা দেশগুলির অভ্যন্তরীণ ও বিদেশনীতির উপর হস্তক্ষেপ। মুখ্যমন্ত্রীর এই দাবির জবাবদিহি করুক বিজেপি ও প্রধানমন্ত্রী।

প্রতিবেশি দেশে বিজেপির সরকার গঠনের পরিকল্পনা নিয়ে মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্যের তীব্র সমালোচনা করেছে ত্রিপুরা প্রদেশ কংগ্রেস। দলের সহ সভাপতি তাপস দাস জানান, ভারত কখনোই সাম্রাজ্যবাদী চিন্তায় বিশ্বাসী নয়। দুর্ভাগ্যবশত ত্রিপুরার মু়খ্যমন্ত্রী সাম্রাজ্যবাদী মানসিকতার পরিচয় দিচ্ছেন। নেপাল ও শ্রীলংকা দুটি সার্বভৌম দেশ। কোনওভাবেই তাদের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ করা ঠিক হবে না। মুখ্যমন্ত্রীর দাবি জাতীয়তাবাদ বিরোধী। তাঁর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানাচ্ছি।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।